হাফিজ রায়হান: জামালপুরে ১১ নং সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধা সাদেক আলীর হত্যার প্রতিবাদে ও হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে শহরের দয়াময়ী মোড়ে এই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, মুক্তিযুদ্ধ-৭১, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি জামালপুর জেলা শাখা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, যাদের জন্য আজ আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি, জাতির এই সূর্যসন্তানদের এমন করুণ পরিণতি আমরা মানতে পারি না। স্বাধীনতার ৫২ বছর পর এসে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হবে, এমন বাংলাদেশের স্বপ্ন আমরা দেখি না। এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক আলী হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সকলের ফাঁসি দাবি করেন বক্তারা।
সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, মুক্তিযুদ্ধ-৭১ জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হান সাদা, জামালপুর প্রেসক্লাব ও সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, মুক্তিযুদ্ধ-৭১ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুক্তা আহাম্মেদ, জেলা মুজিব বাহিনীর সাবেক প্রধান মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান সরকার, ন্যাশনাল এফ এফ ফাউন্ডেশনের জেলা আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা মোখলেছুর রহমান হিরু, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট খায়রুল ইসলাম খুররমসহ বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড ও আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান জমালপুর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, গত ১ জুলাই দুপুরে জামালাপুরের ইসলামপুরের রৌহারকান্দায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুক্তিযোদ্ধা সাদেক আলীকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে স্থানীয় দুর্বৃত্তরা। পরবর্তীতে ২ জুলাই ভিকটিমের ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামী করে ইসলামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা রুজু হওয়ার পর থেকেই আসামীরা আত্মগোপনে চলে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮ জনকে আটক করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।







