রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ’র মৃত্যুতে শোকগ্রস্ত বাংলাদেশ। পালন করা হচ্ছে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক। রানির মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন: মহামান্য রানি শুধুমাত্র দুই দশমিক পাঁচ বিলিয়ন কমনওয়েলথ জনগণের স্তম্ভ এবং শক্তিই ছিলেন না বরং তিনি করুণা, মর্যাদা, প্রজ্ঞা এবং সেবারও প্রতীক ছিলেন।
তিনি লিখেছেন, ‘বিশ্বের সমসাময়িক ইতিহাসে সবচেয়ে কিংবদন্তী এবং দীর্ঘতম রাজত্বকারী রাজা হিসাবে কর্তব্য, সেবা এবং ত্যাগের সর্বোচ্চ মান স্থাপন করেছেন এবং বিশ্বজুড়ে তার অগণিত মানুষের কাছে উৎসর্গের একটি অতুলনীয় উত্তরাধিকার রেখে গেছেন।’
প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, রানী তার দেশের নাগরিকদের জন্য অনুপ্রেরণা, সাহস এবং শক্তির একটি দুর্দান্ত উৎস হয়ে থাকবেন। বাঙালি জনগণের বাড়িতে তার দু’টি ঐতিহাসিক রাজকীয় সফরের জন্য অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
তিনি আরো লিখেছেন, ‘যুক্তরাজ্যে মহামান্য রানী এবং আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি এবং অটোয়া ও কিংস্টনে দু’টি কমনওয়েলথ সরকার প্রধানের বৈঠক চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’
‘আমি লন্ডনে ২০১৮ সিএইচওজি -এ আমাদের শেষ ব্যক্তিগত আলাপচারিতার প্রশংসা করি।’ তিনি স্মরণ করেন।
যুক্তরাজ্যের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুতে সারা বিশ্বের শোক পালনের পাশাপাশি শোকাহত বাংলাদেশ। শুক্রবার থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে তিন দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এ তিনদিন বাংলাদেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোয় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।
রানির মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রানীর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেলে স্কটল্যান্ডের বালমোরাল প্যালেসে ৯৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ।








