চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে মামলায় গ্রেফতার বিজিবির সাবেক দুই কর্মকর্তাসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানি আগামী ৪ ডিসেম্বর।
এই মামলায় গ্রেফতার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত বিন আলম মুনকে আজ বিচারপতি মো: শফিউল আলম মাহমুদ নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ হাজির করার পর শুনানির এই দিন ধার্য করেন।
সেই সাথে এই মামলায় পলাতক দুই আসামীর জন্য একজন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এই মামলায় পলাতক অপর দুই আসামী হলেন ডিএমপির খিলগাঁও জোনের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো: রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো: মশিউর রহমান।
আজ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউসন পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মো: মিজানুল ইসলাম। এসময় অপর প্রসিকিউটর ও আসামী পক্ষের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে স্থাপিত সাময়িক কারাগার থেকে বাংলাদেশ জেলের বিশেষ প্রিজন ভ্যানে করে আসামী দুই সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। সেনা কর্মকর্তাদের ট্রাইব্যুনালের আনার প্রেক্ষাপটে ট্রাইব্যুনালকে ঘিরে আইন–শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সেনা, পুলিশ, র্যাব, বিজিবির বিপুল সংখ্যক সদস্যদের উপস্থিতি দেখা যায়।
জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থান চলাকালীন দেশজুড়ে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চলে। সে সময় রাজধানীর রামপুরায় নিহত হন ২৮ জন। সেই সাথে আহত হন অনেকে। রামপুরার ঘটনায় বিজিবি কর্মকর্তা রেদোয়ানুলকে আন্দোলনকারীদের দিকে সরাসরি গুলি ছুড়তে দেখা যায়। এছাড়া এই মামলার অন্য আসামীদের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।








