প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের নির্দেশে শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার ৮৭ নং আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও আহত করার অভিযোগে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জারি করা অফিস আদেশ অনুযায়ী, ঘটনার তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় সরকারি কর্মচারী আইন, ২০১৮ অনুযায়ী সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিদ্যালয়ে উদ্ভূত ঘটনার পরপরই তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ, সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করা হয়। তদন্তে প্রধান শিক্ষককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা প্রতীয়মান হওয়ায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের সহিংসতা, অসদাচরণ বা শৃঙ্খলাভঙ্গের কোনো সুযোগ নেই। শিক্ষক সমাজের মর্যাদা ও শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষায় সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ববি হাজ্জাজ এ ঘটনায় দায়িত্বশীল সংবাদ প্রকাশের জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রশাসনকে আরও জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর হতে সহায়তা করে। গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভব হয়েছে। শিক্ষাঙ্গনে অনিয়ম, সহিংসতা বা দুর্নীতির বিষয়ে তথ্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমের গঠনমূলক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও সরকার গণমাধ্যমের সঙ্গে সমন্বয় রেখে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে কাজ করবে।








