চন্ডিকা হাথুরুসিংহে আবারও বাংলাদেশের হেড কোচের দায়িত্ব নিয়ে ফিরছেন দুসপ্তাহ পরই। টাইগার ক্রিকেটে তার দ্বিতীয় ইনিংস কেমন হবে সেটি নিয়ে কৌতূহলী অনেকেই। আগের মেয়াদে খুব কাছ থেকে হাথুরুকে দেখা খালেদ মাহমুদ সুজন শ্রীলঙ্কান কোচকে নিয়ে দারুণ আশাবাদী।
আগের মেয়াদে বাংলাদেশ হাথুরুসিংহের অধীনে বড় বড় সাফল্য পেয়েছিল। এবারও সাফল্য বয়ে আনবেন বলেই বিশ্বাস বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদের।
‘হাথুরু বাংলাদেশের জন্য কাজ করে গেছে। আমাদের খেলোয়াড়দের খুব ভালো করে চেনে। আমাদের ক্রিকেট খুব ভালোভাবে ওর নখদর্পণে আছে। ভালো কিছু প্রত্যাশা করি। সময়ই বলে দেবে আসলে কী হয়। তখন যখন হাথুরু এসেছে, অনেক তরুণ ছিল, ৪০ বছর বয়স, এখন তো অভিজ্ঞ হাথুকে পাবো, পরিণত অনেক। আশা করি ভালো কিছু হবে। দেখা যাক, ভালো হওয়ার চিন্তা করেই বিসিবি আনছে তাকে। ওই ভালোটা ডেলিভারি করবে বলে আশা করি।’
হাথুরুকে কড়া কোচ হিসেবেই জানেন সবাই। এটিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন সুজন, ‘সবচেয়ে ক্লিন ড্রেসিংরুম ছিল যখন হাথুরু ছিল। আমরা সবসময় একটা কথা বলি, মিডিয়াতেও আগে শুনি, কড়া হেড মাস্টার বলে কথা বলে বোধ হয়, আমার মনে হয় হি ইজ নট দ্যাট ‘কড়া’, যেরকম করে আমরা বলি সেরকম কিন্তু ও না। যেটা হয়, আমি ব্যক্তিগতভাবে কী চাই, আপনি আমাকে পেছনে কথা না বলে সামনে কথা বলেন। এটা একটা ভালো মানুষের লক্ষণ। আমি মনে করি হাথুরু ভালো মানুষ। যা বলে, পেছনে কথা বলে না কাউকে, ও যা বলে সামনে কথা বলে। পেছনে গসিপিং করার চেয়ে একটা খেলোয়াড়কে যদি সামনে বলেন তোমার থেকে আমি এটা চাই বা তোমার এই জিনিসটা ভালো না, এতে খারাপ কিছু তো দেখি না। এটা যদি কড়া হেড মাস্টার হয়ে যায়, তাহলে কড়া হেড মাস্টার।’
‘আমি মনে করি, আমি অনেক কোচের সঙ্গে কাজ করেছি বাংলাদেশে, যারা সামনে একরকম আবার পেছনে অন্যরকম কথা বলে। হাথুরু ব্যাপারে একটা কথা বলবো, ওর এই গুণটা আমার দারুণ লাগে যে ও যা বলে সামনে বলে।’
‘সাকিব কিংবা তামিম, অবশ্যই তারা সম্মানিত, বড় খেলোয়াড়, সিনিয়র ও গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় আমাদের দলের। ওই ডেফিনেশন তৈরি করে না দলে। একটা তরুণ প্লেয়ার যে রেসপেক্ট পাওয়া উচিত, সবসময় সব প্লেয়ারকে দিয়েছে। নেতিবাচক সেন্সে নিতে চাই না। তখন ও তরুণ ছিল, যে একটা অবস্থা ছিল, বাংলাদেশ তখন আমরা জিততে পারছিলাম না। এজন্য অনেককিছু বদলাতে হয়েছে তখন। এখন পরিস্থিতি অন্যরকম। যদি আমরা ইতিবাচকভাবে নেই, সবকিছু ঠিক থাকে। আমার মনে হয় না যে খারাপ করবো ওর অধীনে। ভালো করারই কথা।’








