বাংলাদেশে ক্ষমতা রদবদলের পর পরিবর্তন এসেছে ক্রিকেটে বোর্ড বিসিবিতেও। নতুন সভাপতি হয়েছেন ফারুক আহমেদ। টাইগারদের কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আশঙ্কার ইঙ্গিত পেয়ে লঙ্কান কোচ আগেই জানিয়েছিলেন, বিসিবি চাইলে চাকরি ছাড়তে রাজি। রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর সিরিজ নিশ্চিতে শুক্রবার নামছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টেস্টের আগেরদিন হাথুরু জানালেন, নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিসিবির সঙ্গে কথা বলতে চান।
শুক্রবার রাওয়ালপিন্ডিতে দ্বিতীয় টেস্টে স্বাগতিকদের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। আগেরদিন দলের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন টাইগার কোচ। এক প্রশ্নের জবাবে বললেন, ‘আমি বুঝতে পেরেছি, যখন নতুন কোনো নেতৃত্ব দায়িত্বে আসে তখন তাদের চিন্তাধারা ভিন্ন হয়। আমি তাদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ চাই।’
বিসিবিতে ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা থাকলেও আপাতত সবকিছু সরিয়ে নিজের কাজটা ঠিকঠাক করতে চান হাথুরু। দ্বিতীয় ম্যাচেও ভালো করার লক্ষ্য তার। বলেছেন, ‘আমার কাজ হচ্ছে দলকে সেরা উপায়ে তৈরি করা। শেষ কয়েকমাস ধরে আমরা অনেক কঠোর পরিশ্রম করেছি। এবারও সেটার ব্যতিক্রম হবে না, দ্বিতীয় ম্যাচে এটাই লক্ষ্য।’
হাথুরুসিংহের সঙ্গে বিসিবির চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ আছে। তা পূর্ণ হওয়া নিয়েও শঙ্কা আছে। বিসিবির সভাপতি হয়ে ফারুক আহমেদ তাকে সরানোর ভাবনার কথা জানিয়েছেন।
ফারুক বলেছিলেন, ‘হাথুরুর চুক্তি কতদিন আমি আসলে জানি না। তবে আমার আগের অবস্থানেই আছি (হাথুরুর বিদায় চান)। এখন যেহেতু দায়িত্ব পেয়েছি। এখন বিকল্প খুঁজবো, তার চাইতে ভালো কাউকে পাই কিনা, কাছাকাছি মানের কাউকে পাওয়া যায় কিনা এসব দেখবো।’
গত ১৯ আগস্ট বিসিবি চাইলে চাকরি ছাড়তে রাজি বলে জানিয়েছিলেন হাথুরু। বলেছিলেন, ‘আমার কোনো ধারণা নেই বাংলাদেশে (ক্রিকেট বোর্ডে) কী চলছে। আমার ভবিষ্যতের কথা বললে, যতদিন পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ আছে, দায়িত্ব পালন করতে চাইবো। বোর্ড যদি বদলে যায় এবং তারা যদি পরিবর্তন চায়, তাতে আমার সমস্যা নেই। তারা যদি আমাকে চালিয়ে নিতে বলে, আমাকে নিয়ে খুশি থাকে, আমিও খুশি মনে দায়িত্ব পালন করব।’








