অ্যাশেজে ইংল্যান্ডের ভরাডুবির পর প্রকাশ্যে এসেছে দুমাস আগে নাইটক্লাবে হ্যারি ব্রুকের মদ্যপান করে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ার খবর। গত অক্টোবর-নভেম্বরে নিউজিল্যান্ড সফর ছিল ইংল্যান্ডের। তৃতীয় ওয়ানডের আগের রাতে নাইটক্লাবের বাউন্সারের সাথে এমন ঘটনা ঘটান ব্রুক। যার জন্য ক্ষমাও চাইলেন।
ইংলিশ গণমাধ্যমে প্রতিবেদন, ওয়েলিংটনে তৃতীয় ওয়ানডে খেলার আগের রাতে একটি ক্লাবে প্রবেশ করতে না দেয়ায় ইংল্যান্ডের সাদা বলের অধিনায়ক ব্রুককে বাউন্সার আঘাত করেন। এরপরেই ঘটে দুইজনের মধ্যে বিতণ্ডা। ঘটনার পরেরদিন ইংল্যান্ডের সীমিত ওভারের সিরিজের শেষ ম্যাচে দলকে নেতৃত্বও দেন তিনি।
সেসময় ব্রুক সাদা বলের পদে বরখাস্ত হওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারলেও প্রায় ৩০,০০০ পাউন্ড (বাংলাদেশি টাকায় ৫০ লাখ টাকা) জরিমানা দেন। ভবিষ্যতের আচরণের জন্য তাকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার কাছে অ্যাশেজে ইংল্যান্ড ৪-১ ব্যবধানে হারের পর এটা প্রকাশ্যে এসেছে। এই সফরেও দলগত অস্থিরতার অভিযোগ উঠেছে। যার মধ্যে নুসায় ছুটি কাটানোর সময় খেলোয়াড়দের অতিরিক্ত মদ্যপানও ছিল।
ব্রুক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমার কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চাচ্ছি। সম্পূর্ণরূপে স্বীকার করছি যে, আমার আচরণ ভুল ছিল এবং আমার ও ইংল্যান্ড দলের জন্য বিব্রতকর ছিল।’
‘ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করা সর্বশ্রেষ্ঠ সম্মান, যা আমি গুরুত্ব সহকারে নেই এবং আমার সতীর্থ, কোচ ও সমর্থকদের হতাশ করার জন্য গভীরভাবে দুঃখিত। দায়িত্ব, পেশাদারিত্ব এবং দেশের প্রতিনিধিত্বকারীদের থেকে প্রত্যাশিত মান সম্পর্কে এটি আমাকে যে শিক্ষা দিয়েছে তা প্রতিফলিত করবো।’
‘এই ভুল থেকে শিক্ষা নিতে, মাঠে ও মাঠের বাইরে ভবিষ্যতের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আস্থা পুনরুদ্ধার করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। নিঃশর্ত ক্ষমা চাইছি এবং এটি যাতে আবার না ঘটে তা নিশ্চিত করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করব।’
ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা এ ঘটনা সম্পর্কে অবগত, এটি একটি আনুষ্ঠানিক ও গোপনীয় ইসিবি শৃঙ্খলা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মোকাবেলা করা হয়েছে। জড়িত খেলোয়াড় ক্ষমা চেয়েছেন, স্বীকার করেছেন যে এ আচরণ প্রত্যাশার চেয়ে কম ছিল।’








