কানাডার ফার্স্ট নেশনস (আদিবাসী) সম্প্রদায়ের প্রখ্যাত অভিনেতা ও অস্কার মনোনীত তারকা গ্রাহাম গ্রিন প্রয়াত হয়েছেন। দীর্ঘ অসুস্থতার পর তিনি ৭৩ বছর বয়সে টরোন্টোর একটি হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
গ্রিনের এজেন্ট মাইকেল গ্রিন (সম্পর্কিত নন) ডেডলাইনকে বলেন, “তিনি নীতিবান, আদর্শবান এবং চরিত্রবান একজন মানুষ ছিলেন। আমরা তাঁকে চিরকাল মিস করব। অবশেষে তিনি মুক্তি পেলেন।”
১৯৫২ সালে কানাডার অন্টারিও প্রদেশের সিক্স নেশনস রিজার্ভের ওহসউইকেন এলাকায় জন্ম নেন গ্রাহাম গ্রিন। রেকর্ডিং ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করার সময় বন্ধুর উৎসাহে প্রথমবার অভিনয়ে আসেন। ১৯৭০-এর দশকে কানাডা ও ইংল্যান্ডে মঞ্চনাটকে অভিনয় শুরু করেন তিনি। ১৯৭৯ সালে কানাডিয়ান ড্রামা দ্য গ্রেট ডিটেকটিভ-এর একটি পর্বে টিভি অভিষেক হয় তাঁর। আর ১৯৮৩ সালে জীবনীভিত্তিক চলচ্চিত্র রানিং ব্রেভ ছিল তাঁর প্রথম সিনেমা।
গ্রিনের হলিউড সাফল্যের মোড় ঘোরে ১৯৯০ সালে, যখন কেভিন কস্টনার তাঁকে ‘ড্যান্সেস উইথ উলভস’ ছবিতে লাকোটা সিউ মেডিসিন ম্যান ‘কিকিং বার্ড’-এর চরিত্রে কাস্ট করেন। এ চরিত্র তাঁকে এনে দেয় অস্কার মনোনয়ন এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতি। এরপর তিনি অভিনয় করেন থান্ডারহার্ট (১৯৯২), ম্যাভেরিক (১৯৯৪), ডাই হার্ড উইথ আ ভেনজেন্স (১৯৯৫), দ্য গ্রিন মাইল (১৯৯৯) এবং দ্য টোয়াইলাইট সাগা: নিউ মুন (২০০৯)-এর মতো ছবিতে।
সাম্প্রতিক সময়ে তাঁকে দেখা গেছে তাইকা ওয়াতিতির ‘রিজার্ভেশন ডগস’ সিরিজে, এইচবিও-র দ্য লাস্ট অব আস-এ, টেলর শেরিডানের ১৮৮৩ এবং টালসা কিং সিরিজে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সক্রিয় ছিলেন এবং তাঁর বেশ কয়েকটি নতুন কাজ এখনও মুক্তির অপেক্ষায়।
ক্যারিয়ারে তিনি গ্র্যামি, জেমিনি ও কানাডিয়ান স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন এবং কানাডার ওয়াক অব ফেমে তাঁর নাম খোদাই করা আছে। চলতি বছরের জুনে আজীবন সম্মাননা হিসেবে তিনি কানাডার গভর্নর জেনারেলের পারফর্মিং আর্টস অ্যাওয়ার্ড পান। গার্ডিয়ান








