সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। এ লক্ষ্যে আসন্ন জাতীয় বাজেটে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে বলেও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন কমিটির সুপারিশে সম্মতি দেওয়ার পর নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পে স্কেলটি ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে। প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, প্রথম ধাপে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হতে পারে। তবে নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে বর্তমানে বিদ্যমান কিছু বিশেষ সুবিধা বাতিল করা হবে। ফলে সার্বিকভাবে বেতন বৃদ্ধির প্রকৃত হার ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
সূত্র মতে, আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামোর প্রথম ধাপ কার্যকর হতে পারে। এ সময় কর্মচারীরা সুপারিশকৃত বেতন বৃদ্ধির ৫০ শতাংশ সুবিধা পাবেন। পরবর্তী অর্থবছরে দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে অবশিষ্ট অংশ কার্যকর করা হবে। এছাড়া ২০২৮-২৯ অর্থবছরে বিভিন্ন ভাতা বেতন কাঠামোর সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করে নবম পে স্কেলের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হতে পারে। বাজেট বক্তৃতায় নতুন বেতন কাঠামোর বিস্তারিত রূপরেখা এবং তিন ধাপে বাস্তবায়নের কারণ তুলে ধরা হতে পারে।
সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে এই উদ্যোগ প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও বাজেট উপস্থাপনের পরই বিষয়টি চূড়ান্তভাবে স্পষ্ট হবে।







