বঙ্গবন্ধু আমৃত্যু এ দেশের মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে গেছেন উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেছেন, স্বায়ত্ত্বশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের ইতোমধ্যে ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম’ ব্যবস্থার আওতাভুক্ত করা হয়েছে। শীঘ্রই অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের নতুন নিয়গপ্রাপ্তদের জন্যও আমরা এ ব্যবস্থা শুরু করতে যাচ্ছে।
আজ (৬ জুন) বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট আলোচনা এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, শীঘ্রই অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের নতুন নিয়গপ্রাপ্তদের জন্যও আমরা এ ব্যবস্থা ১ জুলাই ২০২৫ হতে চালু করব। সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনার ফান্ড পরিচালনা ব্যয় সরকার বহন করায় এবং বিনিয়োগ মুনাফা জামাকারীদের মধ্যে বিভাজন হওয়ায় এটি হবে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় পেনশন স্কিম।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমৃত্যু এ দেশের মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজের অংশ হিসেবে দেশের ১৮ বছর বয়সের বেশি জনগোষ্ঠীকে একটি টেকসই ও সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় আনার লক্ষ্যে সর্বজনীন পেনশনের ধারণাটিকে ২০০৮ সালের আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করেন। এর ধারাবাহিকতায় ‘সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন ২০২৩’ মহান সংসদ কর্তৃক অনুমোদনের পর অর্থ বিভাগ ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিধিমালা, ২০২৩’ জারী করে এবং প্রধানমন্ত্রী গত ১৭ আগস্ট ২০২৩ তারিখ সর্বজনীন পেনশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী জনকল্যাণমূখী এবং মানুষের আর্থিক মুক্তির সনদ হিসেবে বিবেচিত হবে।
অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, সর্বজনীন পেনশন ৪টি স্কিম নিয়ে যাত্রা শুরু করে। পেনশন সুবিধা পান এমন সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানের নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের আমরা সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসবো। স্বায়ত্ত্বশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের ইতোমধ্যে এ ব্যবস্থার আওতাভুক্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, শীঘ্রই অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের নতুন নিয়গপ্রাপ্তদের জন্যও আমরা এ ব্যবস্থা ১ জুলাই ২০২৫ হতে চালু করব। সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনার ফান্ড পরিচালনা ব্যয় সরকার বহন করায় এবং বিনিয়োগ মুনাফা জমাকারীদের মধ্যে বিভাজন হওয়ায় এটি হবে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় পেনশন স্কিম। ১৮ বছরের অধিক সকল বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় আনা সম্ভব হলে সকলেই একটি সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতাভুক্ত হবেন যা ভবিষ্যতে তাদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।








