গোপালগঞ্জে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এটাই সারাদেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার এই তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গত শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী আরও কয়েক দিন এমন তাপমাত্রা থাকতে পারে।
এদিকে, শীতের কারণে সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তাঘাট ছিল ফাঁকা। চরসোনাকুড়, চাপাইল সেতু, এলজিইড়ি মোড়, হাসপাতাল এলাকাসহ শহরের বিভিন্ন জায়গায় নিম্ন আয়ের মানুষদের আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা গেছে। শহরে রিকশাচালকের সংখ্যা ছিল একেবারেই কম। দূরপাল্লা ও অভ্যন্তরীন রুটে বাস চলাচল করলেও যাত্রী ও বাসের পরিমান ছিল কম।
গোপালগঞ্জ–পয়সারহাট সড়কের বাসচালক আবুল কাশেম জানান, একদিকে আজ সরকারি ছুটি অন্যদিকে প্রচণ্ড শীতের কারণে রাস্তায় লোকজন শূন্য। যাত্রী একেবারেই নেই বললে চলে।
অপরদিকে, শহরতলী চরমানিকদাহ, পুরাতন মানিকদাহ, ভেড়ারবাজার, হরিদাসপুর ও সাতপাড় বৌলতলীতে শীতবস্ত্রের অভাবে তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন এখানকার দরিদ্র মানুষ। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে শিশু ও বয়স্করা কষ্ট পাচ্ছেন খুব বেশি। পাশাপাশি, শীতের কারণে ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রকোপও বাড়ছে।
গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ইব্রাহিম জানান, তীব্র ঠাণ্ডায় নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও পাতলা পায়খানায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। বর্তমানে বহির্বিভাগে রোগীর চাপ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।








