কাঠমান্ডুতে স্বাগতিক নেপালকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার মেয়েদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা জিতে এসেছে বাংলাদেশ। আসরে শুরুটা ভালো হয়নি চ্যাম্পিয়নদের। গ্রুপপর্বে প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছিল সাবিনা খাতুনের দল। ম্যাচে সেদিন মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন শামসুন্নাহার জুনিয়র। তবে মাঠ ছেড়ে যাননি। ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর তার গোলেই স্বস্তিতে ফিরেছিল বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার সাফজয়ীদের নিয়ে আয়োজিত চ্যানেল আই’র বিশেষ ‘অভিনন্দন’ অনুষ্ঠানে অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করতে গিয়ে শামসুন্নাহারের সেই ত্যাগের কথা স্মরণ করেছেন অধিনায়ক সাবিনা খাতুন।
‘প্রথম ম্যাচটা যদি দেখেন পাকিস্তানের বিপক্ষে, এখানে আমি অবশ্যই খুব ভেতর থেকে ক্রেডিট দিতে চাই শামসুন্নাহার জুনিয়রকে। সে ভালোভাবেই চোট পেয়েছিল, তার কপাল ফেটে যায়। তারপরও সে ঝুঁকি নিয়ে, নিজের জীবন বাজি রেখে লাস্ট মোমেন্টে যে গোলটা করেছে, যেটা টিমকে স্বস্তি এনে দেয়। সেটা অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে।’
দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়ই পাকিস্তান ম্যাচে চেষ্টা করেছিলেন ফল আনার। যদিও সেটা হয়নি। তবে ড্র করাকে স্বস্তির বলছেন সাবিনা, ‘প্রত্যেকটা টিমমেটই তারা আসলে দুর্দান্ত ছিল, প্রত্যেকটা ম্যাচেই। আমাদের ডিফেন্স থেকে শুরু করে মিডিফিল্ড-ফরোয়ার্ড সবাই ট্রাই করেছে। যদিও আসলে খুব ভালো কিছু হয়নি রেজাল্টটা। যেটা হয়েছিল হারি নাই, সেটা একটা স্বস্তির জায়গা ছিল।’
গ্রুপপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ভারতকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। জোড়া গোল করেছিলেন তহুরা খাতুন, অন্য গোলটি এসেছিল আফঈদা খন্দকারের থেকে। ম্যাচে নিজেদের সবচেয়ে সেরাটা খেলেছে বাংলাদেশ, এমন বললেন সাবিনা। সঙ্গে তহুরার গোলের প্রশংসা করেছেন।
‘ভারতের সাথে প্রত্যেকটা খেলোয়াড় তো আসলে, আমার কাছে মনে হয়, ব্যক্তিগতভাবে যতগুলো ম্যাচ খেলেছি এটাই সবচেয়ে দুর্দান্ত লেগেছে। মানুষ যে ফুটবলটা পছন্দ করে, ওয়ান টাচ-টু টাচ, বিল্ডআপ প্লে, ওই জিনিসগুলো আমার মনে হয় ম্যাচটাতে পুরোটাই ছিল। ওই ম্যাচে তহুরার একটা গোল আছে, আমি এখনও বলি ওটা আসলে চোখে ভেসে থাকার মতো।’







