ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের বন্ধু রাষ্ট্র জার্মানি এবং অস্ট্রেলিয়া বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানার পর জটিল কূটনৈতিক পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে।
জার্মানি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্য রাষ্ট্র এবং তাদের আইন অনুযায়ী, যদি নেতানিয়াহু জার্মান ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন, তবে তাকে গ্রেপ্তার করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। জার্মান সরকার জানিয়েছে, তারা আইসিসি-এর নীতিমালা মেনে চলবে। তবে এই অবস্থান ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
অন্যদিকে ইসরায়েল জার্মানির এই অবস্থানকে নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি ইসরায়েলের কূটনৈতিক মর্যাদার ওপর আঘাত।
অস্ট্রেলিয়া আইসিসির সদস্য রাষ্ট্র হলেও তাদের প্রতিক্রিয়া জার্মানির মতো স্পষ্ট নয়। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এই বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইসিসির স্বাধীনতাকে সমর্থন জানিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অস্ট্রেলিয়া এই ইস্যুতে কূটনৈতিকভাবে মাঝারি অবস্থান নেবে, যেখানে গ্রেপ্তারের বদলে তারা বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারে।
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার ফলে তার ইউরোপ এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো অঞ্চলে সফর কঠিন হয়ে পড়বে। জার্মানির মতো আইসিসি-সমর্থক দেশগুলোতে তার কূটনৈতিক কার্যক্রম সীমিত হয়ে যাবে, এবং এটি ইসরায়েল ও মিত্র দেশগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব বাড়াতে পারে।
আইসিসির পরোয়ানা কার্যকর হলে নেতানিয়াহু ও গ্যালান্ট তাদের মিত্র দেশগুলোতেও নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারবেন না। কুটাবের মতে, এই পরোয়ানার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যুদ্ধাপরাধের বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছে।
সূত্র: দ্যা অস্ট্রেলিয়ান







