গাজীপুরের বহুল আলোচিত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ৭ আসামির প্রত্যেকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
শনিবার বিকালে গ্রেপ্তার আসামিদের গাজীপুরের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানায়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক আলমগীর আল মামুন আসামিদের প্রত্যেকের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কেটু মিজান, কেটু মিজানের স্ত্রী পারুল আক্তার ওরফে গোলাপি, আল আমিন, স্বাধীন, শাহজালাল, ফয়সাল হাসান ও সুমন।
আরেক আসামি আরমান পলাতক রয়েছেন, তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ হেডকোয়ার্টারে সংবাদ সম্মেলন করেন জিএমপি কমিশনার ড. মো. নাজমুল করিম খান। তিনি জানান, গোলাপীর হানিট্রাপে পড়ে ব্যাংক থেকে টাকা তোলা বাদশাহর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে গোলাপীর সহযোগীরা। এ সময় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন ঘটনাটি ভিডিও করলে আসামিরা তা দেখে ফেলে। পরে ভিডিওটি ডিলিট না করলে তারা তুহিনকে কুপিয়ে হত্যা করে।
কমিশনার আরও বলেন, মেডিকেল রিপোর্ট পেলে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করা হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হলে অপরাধ দমন সম্ভব হবে।
যথাযথ নিরাপত্তা দিতে না পারার দায় স্বীকার করে তিনি সাংবাদিক সমাজের প্রতি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং নিহত তুহিনের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান জিএমপি কমিশনার।
এদিকে শনিবার (৯ আগস্ট) বিকালে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা সদরের পুরাতন বাজার থেকে আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। র্যাব-১৪ এর কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের অধিনায়ক মো. আশরাফুল কোভিড বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তায় মসজিদ মার্কেটের সামনে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে চাপাতি দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এদিন (৭ আগস্ট) দিবাগত রাতেই গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বাসন থানায় হত্যা মামলা করেন নিহত তুহিনের বড় ভাই মো. সেলিম। মামলায় অজ্ঞাত ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।








