গাজার জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ায় প্রধান বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। হামাসের হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা অবরোধ করে রেখেছে। এরপর থেকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, খাদ্য, পণ্য ও পানি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে অঞ্চলটিতে।
বুধবার ১১ অক্টোবর বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, যেহেতু গাজার লোকদের জ্বালানী নেই, সেহেতু বর্তমানে তারা বিদ্যুতের জন্য জেনারেটরের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
কামাল মাশহারাউইসহ নামের গাজার এক বাসিন্দা একটি বেসমেন্ট এ আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এটি খুব কঠিন- আমাদের পানি নেই, ইন্টারনেট নেই, বিদ্যুৎ নেই।’
তিনি বলেন, তার সন্তানরা আহত এবং তার ফুসফুসে ব্যথা হচ্ছে। কামাল তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে হারিয়েছেন কিন্তু ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় অন্যদের সাথে যোগাযোগ করতে পারছেন না বলেও জানান।
কামাল বলেন, ‘আমরা কাছাকাছি সুপারমার্কেটে যাওয়া চেষ্টা করেছি কিন্তু বিস্ফোরণের কারণে এটিও এখন অনিরাপদ।’ তিনি বলেন, আমি আমার সন্তান ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের হারাচ্ছি। তবে কি আমি পরবর্তী ব্যক্তি?
বেসামরিক নাগরিকদের উপর এভাবে অত্যাচার করা উচিত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি মনে করি না বেসামরিক মানুষ মারা যাওয়ার যোগ্য, তাদের সংঘাতের বাইরে থাকা উচিত। আমি হামাসকে দোষ দিতে পারি না, আবার আমি ইসরায়েলকেও দোষ দিতে পারি না। তবে আমি বলি, আমরা বেসামরিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। আমরা সেই লোক যারা এই সংঘাতের অংশ নই। তবে আমরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।








