বায়োগ্যাস নির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হতে পারে শহরের সলিড আবর্জনা ও পোল্টি ফিল্ডের আবর্জনা। ৪ মিলিয়ন বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট করা গেলে গৃহস্থলির প্রয়োজনীয় গ্যাসের চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব।
বায়োগ্যাসের বিস্তৃত প্রয়োগিক ক্ষেত্র রয়েছে বলে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সত্যজিত কর্মকার।
‘বাংলাদেশে বায়োগ্যাস প্রযুক্তির সফলতা-ব্যর্থতা’ বিষয়ে বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল ও যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম সিটি ইউনিভারসিটির সেমিনার অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, বার্মিংহাম সিটি ইউনিভারসিটির শিক্ষার্থী তানিয়া ইসলাম।
তানিয়া ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে এ ধরনের প্রকল্প যথাযথ মনিটরিং ও বিশেষজ্ঞকের অভাবে বন্ধ হয়ে যায়। প্ল্যান্টগুলোর প্রযুক্তিগত পরিমাপ একদম প্রান্তিক পর্যায়ে নিয়ে কাজ করবার পরামর্শ দেন তিনি।
বায়োগ্যাস প্রযুক্তির প্রাথমিক উপকরণ হিসেবে গোবর নির্ভরতা কমিয়ে নতুন উৎস নিয়ে আসার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। উঠে আশে প্রযুক্তি বিনিময়ের বিষয়টি।
বার্মিংহাম সিটি ইউনিভারসিটির রিসার্স ফেলো অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন এ বিষয়ে দেশগুলো যৌথভাবে কাজ করে মেধা ও প্রযুক্তির বিনিময় ও পারস্পারিক তদারকিতে লাভবান হতে পারে। এ ব্যাপারে নীতি নির্ধারকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়টির বায়ো এনার্জি গবেষক দলের প্রধান প্রফেসর লিনজি মেলভিল বলেন, সমস্যার সমাধানে সবার একযোগে কাজ করা উচিত।
দেশে ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন লক্ষমাত্রা অর্জনে বায়োগ্যাসসহ নতুন প্রযুক্তির খোঁজ করছে সরকার। বাংলাদেশে বায়োগ্যাস প্রযুক্তির সফলতা-ব্যর্থতা নিয়ে কর্মশালায় ক্লিন এনার্জি নিয়ে গবেষণায় বিনিয়োগের আহ্বান জানান বক্তারা। গবেষণার পাশাপাশি বায়োগ্যাস প্রযুক্তিতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিতরণে আইনি জটিলতা মুক্ত করার পরামর্শ আসে সেমিনারে।








