জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধে ১৪ দল যে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাকে স্বাগত জানায় গণজাগরণ মঞ্চ।
সোমবার ২৯ জুলাই যুদ্ধাপরাধী সংগঠন জামায়াতে ইসলাম এবং তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ১৪ দলীয় জোট।
গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গণমাধ্যমসূত্রে আমরা জেনেছি, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্রের প্রেক্ষিতে সরকার জামাত-শিবির নিষিদ্ধের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ও জামাত- শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবীতে ২০১৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া গণজাগরণ মঞ্চের ছয়দফা দাবির মধ্যে এটি ছিল অন্যতম। দীর্ঘ দশ বছরের অধিক সময় পর এই দাবী মেনে নিয়ে উদ্যোগকে স্বাগত জানায় গণজাগরণ মঞ্চ।
তিনি আরও বলেন, কিন্তু সরকারের এই দীর্ঘ কালক্ষেপণ দেশকে অরাজকতার যে প্রান্তে এনে দাঁড় করিয়েছে, তার ভুক্তভোগী হচ্ছেন জনগণ। এটা সত্যিই আশ্চর্যের যে, আদালতের রায়সহ গণজাগরণ মঞ্চের সপ্রমাণ দাবির পরও জামাত-শিবিরের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও জঙ্গীবাদের বিভৎসতা বুঝতে সরকারের এত দীর্ঘ সময় লাগলো। উচ্চ আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে ২০১৩ সালে যখন এই যুদ্ধাপরাধী সংগঠনটির নিবন্ধন বাতিল করেছিল নির্বাচন কমিশন, তখনই তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হলে তা আরও কার্যকর হতো।
গণজাগরণ মঞ্চের দাবি উত্থাপনের দীর্ঘ ১০ বছর পর জামাত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও, দেশের নানা স্তরে এমনকি খোদ সরকারি দলের মধ্যেও জামাত-শিবির ও তাদের জঙ্গীমনস্কতার ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। এই ভাইরাস দূরীকরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবী জানায় গণজাগরণ মঞ্চ।








