পুলিশের গুলিতে কিশোরের মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে ইউরোপের দেশ ফ্রান্স। এরই মধ্যে প্রতিবাদের দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে দেশটিতে। দাঙ্গা ও সহিংসতায় রূপ নিয়েছে এই প্রতিবাদ। সেই দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে প্রায় দেড় হাজার বিক্ষোভকারী গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ। এরই মধ্যে প্যারিসের কাছে চলে কিশোরের শেষকৃত্য।
শনিবার ১ জুলাই ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানায়, সহিংসতার পর এক হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানায়, দাঙ্গা ও সহিংসতায় এখন পর্যন্ত দু’হাজার ৫৬০টি জায়গায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। শুধুমাত্র মঙ্গলবার রাতে এক হাজার ৩৫০টি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। এছাড়াও ২৩৪টি ভবনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিক্ষোভকারীদের সাথে সংঘর্ষে শুক্রবার রাতে ৭৯ জন পুলিশ আহত হয়েছে। ৫৮টি পুলিশ স্টেশনে হামলা হয়েছে।
ফ্রান্সে এই বিক্ষোভের সূত্রপাত মঙ্গলবার থেকে। ওই দিন সকালে প্যারিসের উপশহর নানতেরে ট্রাফিক বিধি অমান্য করে জোরে গাড়ি চালানোর অভিযোগে নাহেল এম নামের ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরকে গাড়ি থামানোর নির্দেশ দিয়েছিল পুলিশ। কিন্তু নাহেল গাড়ি না থামিয়ে সরে পড়ার চেষ্টা করলে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন পুলিশ সদস্যরা। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় নাহেলের।
নাহেলের পরিবারের সদস্যরা আলজেরিয়া থেকে গিয়ে ফ্রান্সে স্থায়ী হয়েছেন। তাদের আর্থিক অবস্থাও খুব ভাল নয়। প্যারিসের নানতের উপশহরটি মূলত দরিদ্র অধ্যুষিত এলাকা। সেখানেই মায়ের সাথে থাকতেন তিনি। নাহেল ও তার মা মৌনিয়া ইসলাম ধর্মাবলম্বী।








