আগামী ২৮ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হবে। তবে মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২ হাজারের বেশি পর্যটক যাতায়ত ও রাত্রিযাপনের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন।
সোমবার ২৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) নিজাম উদ্দিন আহমেদ।
তবে সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকবাহী জাহাজ কোন স্থান থেকে ছাড়বে তা নির্ধারণ করবে মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত ‘সেন্টমার্টিন দ্বীপে অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন নিয়ন্ত্রণ ও সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ ছাড়ার পয়েন্ট নির্ধারণ’ সংক্রান্ত কমিটি।
গত ১৯ নভেম্বর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত ৬ সদস্যের কমিটিতে কক্সবাজার সদর ও টেকনাফের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।
নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে একটি মাত্র আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার জেলা প্রশাসন কেয়ারি সিন্দাবাদ নামের একটি জাহাজ কর্তৃপক্ষকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
তবে মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দ্বীপে ২ হাজারের বেশি পর্যটক যাতায়ত করতে পারবে না। এ ছাড়া নভেম্বর ও ফেব্রুয়ারি মাসে দ্বীপে রাত্রিযাপনের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। তবে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে পর্যটকরা দ্বীপে রাত্রিযাপন করতে পারবেন।
অতিরিক্ত জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, “সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হলেও কোন স্থান থেকে ছাড়া হবে তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত এ সংক্রান্ত ৬ সদস্যের কমিটি।“
সেন্টমার্টিন দ্বীপে অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন নিয়ন্ত্রণ ও সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ ছাড়ার পয়েন্ট নির্ধারণ সংক্রান্ত গঠিত কমিটির আহ্বায় ও কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াছমিন চৌধুরী বলেন, “সেন্টমার্টিনে দ্বীপে অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন নিয়ন্ত্রণ ও জাহাজ ছাড়ার পয়েন্ট নির্ধারণে কমিটির প্রথম বৈঠক মঙ্গলবার বিকালে কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্টিত হবে। বৈঠকে কমিটির সদস্যদের সাথে পরিবেশসহ সার্বিক বিষয়াদি পর্যালোচনার ভিত্তিতে জাহাজ ছাড়া পয়েন্ট নির্ধারণে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।“
তিনি জানান, মিয়ানমারে অভ্যন্তরীণ সংঘাতের জেরে নাফ নদী দিয়ে সেন্টমার্টিন যাতায়ত অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। এ নিয়ে কমিটির সদস্যদের সাথে অনানুষ্ঠানিক যে আলাপ হয়েছে তাতে সকলেই জাহাজ ছাড়ার পয়েন্ট হিসেবে কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়াস্থ বিআইডব্লিউটিএ জেটি ঘাট অথবা ইনানীস্থ নৌবাহিনীর জেটি ঘাটের যে কোন একটি বিবেচনা করে মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।








