ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ ১৮৯ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন। বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন নিশ্চিত করেছেন।
বুধবার বিকালে দুদক তাকে আদালতে হাজির করলে তদন্ত কর্মকর্তা উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহ জালাল কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। এ সময় আসামিপক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি। এর আগে সকালে ধানমণ্ডির বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে দুদক।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর অগ্রণী ব্যাংকের আছাদগঞ্জ শাখা থেকে নিয়মভঙ্গ করে ঋণ গ্রহণ ও ১৮৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ওবায়েদ উল্লাহসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
আসামিদের মধ্যে রয়েছেন– অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক এমডি ও সিইও সৈয়দ আব্দুল হামিদ, শাখার সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার মোস্তাক আহমেদ, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক আবুল হোসেন তালুকদার, সাবেক মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শামস উল ইসলাম, তাজরীনা ফেরদৌসী, মোফাজ্জল হোসেন, মেসার্স মিজান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মিজানুর রহমান, জাসমীর ভেজিটেবল ওয়েলের এমডি জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান ও ফরহাদ মনোয়ার।
দুদক বলছে, মেসার্স মিজান ট্রেডার্সের নামে ছোলা ও গম আমদানির জন্য ঋণ অনুমোদন করা হলেও প্রকৃত সুবিধাভোগী ছিল নুরজাহান গ্রুপ ও তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জাসমীর ভেজিটেবল ওয়েল লিমিটেড। বেতনভোগী কর্মচারীকে ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ঋণ উত্তোলন করা হয়। নুরজাহান গ্রুপের বেনামি প্রতিষ্ঠানের নামে হিসাব খোলা ও পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন জহির আহমেদ। শর্ত না মেনে ঋণ মঞ্জুরি ও উত্তোলনের মাধ্যমে মোট ১৮৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।






