হিরো আলমের ওপর হামলার বিষয়ে ঢাকায় বিদেশী দূতাবাসগুলোর দেয়া যৌথ বিবৃতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, কূটনীতিকদের কাছ থেকে এই ধরনের ‘কর্মীসুলভ আচরণ’ গ্রহণযোগ্য নয়।
বুধবার (১৯ জুলাই) সাংবাদিকরা এ বিষয়ে তার মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি গ্রহণযোগ্য নয়। কেবলমাত্র বাংলাদেশে কিছু ঘটলেই তারা শোরগোল সৃষ্টি করেন।’
বাসস জানায়, ঢাকায় বিদেশি দূতাবাসগুলো আজ এক যৌথ বিবৃতিতে হিরো আলমের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের ব্যাপারে পূর্ণ তদন্ত ও জবাবদিহিতার আহ্বান জানিয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের দূতাবাস/হাইকমিশন স্বাক্ষর করেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ড. মোমেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স বা অন্যান্য দেশে একই ধরনের ঘটনা ঘটলে তো বিদেশি কূটনীতিকরা দল বেঁধে এভাবে কাজ করেন না। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের কাছে জানতে চান, বিদেশে বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হলে কি এসব দেশ তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে কিছু বলে?
সাংবাদিকদের তিনি আরও বলেন, বিদেশী কূটনীতিকদের জিজ্ঞাসা করুন। আপনারা কেন তাদের জিজ্ঞাসা করেন না? কেন তারা সেক্ষেত্রে বিবৃতি দেন না ? বিদেশি মিশনগুলো বিবৃতিটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে না পাঠিয়ে, মিডিয়া হাউসে পাঠায় বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি এ ধরনের বক্তব্য প্রচার বন্ধের জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান।
মোমেন বলেন, যারা হিরো আলমের ওপর হামলা করেছে, তাদের চিহ্নিত করা দরকার। কারণ আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে এটা করা হতে পারে।
এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে চান এবং সে কারণেই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এখানে আসছেন।








