শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে ক্লাবের পাশাপাশি জাতীয় দল থেকে আনিসুর রহমান জিকো বাদ পড়েন। ওই সময়ের মাঝে ভালো পারফর্ম করায় তার জায়গায় থিতু হন মিতুল মারমা। শাস্তি কমানোর পর জিকো ফুটবলে ফিরলেও বাংলাদেশের হয়ে তার খেলা হয়নি। ফিলিস্তিনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের স্কোয়াডে থাকলেও এবার জাতীয় দল থেকে বাদই পড়লেন।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হোম এবং লেবাননের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচের জন্য ২৬ জনের প্রাথমিক স্কোয়াড দিয়েছে বাফুফে। জিকো সেই দলে নেই। মিতুলের পাশাপাশি মেহেদী হাসান শ্রাবণ ও মো. সুজন হোসেনকে গোলরক্ষক হিসেবে রাখা হয়েছে।
ফিলিস্তিনের সঙ্গে হোম ম্যাচে চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন মিতুল। তার পরিবর্তে বদলি হিসেবে শ্রাবণ মাঠে নেমেছিলেন। খেলা শেষের পর সংবাদ সম্মেলনে জিকোকে না নামানো নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন লাল-সবুজের দলের কোচ হাভিয়ের ক্যাবরেরা। সবাইকে অবাক করে দিয়ে এই স্পেনিয়ার্ড বলেছিলেন, জিকো দলের তৃতীয় গোলরক্ষক। অথচ এবার প্রাথমিক দলেই তাকে বিবেচনায় রাখা হয়নি। জাতীয় দলের জার্সিতে সাফের সেরা গোলরক্ষকের খেলার রাস্তাটা যেন কঠিনই হয়ে গেল।
চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তারেক কাজী। তার সঙ্গে রিমন হোসেন, মেহেদী হাসান ও সুশান্ত ত্রিপুরা ডাক পেয়েছেন। মুরাদ হাসান, শাকিল হোসেন ও মো. তাজ উদ্দিন স্কোয়াডে ঠাই পাননি।
মিডফিল্ডার রবিউল হাসান, ও জায়েদ আহমেদ বাদ পড়েছেন। তবে স্বস্তির খবর, ফরোয়ার্ড শেখ মোরসালিন চোট থেকে সেরে ওঠায় জাতীয় দলে ফিরেছেন। আরেক ফরোয়ার্ড মো. আবদুল্লাহও সঙ্গে আছেন। সুমন রেজা ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিম জায়গা হারিয়েছেন।
বাংলাদেশ দল:
গোলরক্ষক: মিতুল মারমা, মেহেদী হাসান শ্রাবণ, মো. সুজন হোসেন।
ডিফেন্ডার: বিশ্বনাথ ঘোষ, রিমন হোসেন, মেহেদী হাসান , তারেক কাজী , মো. রহমত মিয়া, মো. ঈসা ফয়সাল, মো. শাকিল হোসেন, সাদ উদ্দিন, তপু বর্মণ, সুশান্ত ত্রিপুরা।
মিডফিল্ডার: সোহেল রানা, মো. হৃদয়, মো. সোহেল রানা, মজিবুর রহমান জনি, চন্দন রায়, সৈয়দ শাহ কাজেম কিরমানি, জামাল ভূইয়া।
ফরোয়ার্ড: শেখ মোরসালিন, রাকিব হোসেন, মো. আবদুল্লাহ, শাহরিয়ার ইমন, মো.রফিকুল ইসলাম , মো. রাব্বি হোসেন রাহুল।








