যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরপরই খুলে দেয়া হয়েছিল পাকিস্তানের আকাশসীমা। তবে শনিবার (১০ মে) পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধবিরতির পর পাকিস্তানে দেশজুড়ে দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা এবং লজিস্টিক বাধার কারণে ১৫০ টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
পাকিস্তানের সরকারি ফ্লাইট সময়সূচী অনুসারে, কয়েক ডজন ফ্লাইট অচলাবস্থায় রয়েছে। রোববার (১১ মে) করাচিতে ৪৫টি ফ্লাইট বাতিল হয় যার মধ্যে ৩৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট, লাহোর থেকে ৩৮টি বাতিল হয় যার মধ্যে ৩২টি আন্তর্জাতিক, ইসলামাবাদ থেকে ৪০টি বাতিল হয় যার মধ্যে ৩৬টি আন্তর্জাতিক, পেশোয়ার থেকে ১১টি, মুলতান থেকে ১০টি এবং শিয়ালকোট থেকে ৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এছাড়া করাচি, লাহোর, ইসলামাবাদ, মুলতান, ফয়সালাবাদ এবং কোয়েটা থেকে ২৫টিরও বেশি ফ্লাইট চলাচল করেছে।
প্রধান বিদেশী বিমান সংস্থাগুলও প্রায় ১২৫টি অভ্যন্তরীণ এবং বহির্গামী ফ্লাইট বাতিল করেছে, যার ফলে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটেছে।
বিমান কর্তৃপক্ষের জারি করা এক নোটিশে জানায়, রহিম ইয়ার খানের বিমান রুট আগামী ১৮ মে ভোর ৫টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
শুক্রবার ভারতীয় বিমান হামলায় বিমানবন্দরটি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।








