আলজেরিয়াকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। গ্রুপপর্বে দ্বিতীয় ম্যাচে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া। ইউরোপের দেশটির বিপক্ষে লড়াইয়ে নামার আগে দেখে নেয়া যাক দুদলের পরিসংখ্যানের খতিয়ান।
যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস স্টেডিয়মে সোমবার রাতে মুখোমুখি হবে ‘জে’ গ্রুপের এ দুদল। বাংলাদেশ সময় খেলা শুরু রাত ১১টায়। ম্যাচ সরাসরি দেখা যাবে ওটিটি প্লাটফর্ম আইস্ক্রিনে। এই ম্যাচে যে দল জিতবে তারা এগিয়ে যাবে পরের রাউন্ডে। কারণ গ্রুপপর্বে জর্ডানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে অস্ট্রিয়া ৩-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছিল। উভয় দলই ৩ পয়েন্ট সঙ্গী করে নামছে।
ম্যাচে আর্জেন্টিনা যদি জেতে, ৩২-এ চলে যাবে। দিনের অন্য ম্যাচে জর্ডান যদি আলজেরিয়ার বিপক্ষে না জেতে, গ্রুপের শীর্ষ স্থানও নিশ্চিত হতে পারে লিওনেল মেসি বাহিনীর।
দুদলের পরিসংখ্যান বলছে, খুব বেশিবার একে অপরের মুখোমুখি হয়নি। তাদের মধ্যে সবশেষ ম্যাচটি হয়েছিল ৩৬ বছর আগে, ১৯৯০ সালে। ভিয়েনায় হওয়া খেলা ড্র হয়েছিল ১-১ গোলে। একই শহরে ১৯৮০ সালেও একবার মুখোমুখি হয়েছিল দুদল। অস্ট্রিয়াকে ৫-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা। হ্যাটট্রিক করেছিলেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা। যা ছিল আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে কিংবদন্তির প্রথম এবং শেষ হ্যাটট্রিক।
দুটি প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনা মোট ৬ গোল দিয়েছে এবং হজম করেছে দুটি। ১৯৬৬ সালের জুনে একটি আনঅফিসিয়াল ম্যাচে অস্ট্রিয়া ১-০তে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনাকে।
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে একটি জায়গায় এগিয়ে থাকবে আর্জেন্টিনা। ইউরোপীয় দেশগুলোর বিপক্ষে নিজেদের শেষ আট বিশ্বকাপ গ্রুপপর্বের ম্যাচের মধ্যে আর্জেন্টিনা মাত্র একটিতে হেরেছে (২০১৮ সালে ক্রোয়েশিয়া সঙ্গে ৩-০ ব্যবধানে হার)। বাকি ৪টিতে জয় এবং ড্র হয়েছে তিন ম্যাচে।
অন্যদিকে, অস্ট্রিয়া ঐতিহাসিকভাবে লাতিন আমেরিকান প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বেশ ভুগেছে। ১৯৮২ বিশ্বকাপে চিলির বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জেতার পর থেকে ওই অঞ্চলের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলা ১০ ম্যাচের মধ্যে তারা মাত্র একটিতে জিতেছে (৪ ড্র, ৫ হার)। একমাত্র জয়টি এসেছিল ২০১৭ সালের নভেম্বরে, উরুগুয়ের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে।
এদিকে অপ্টা সুপারকম্পিউটার বলছে আর্জেন্টিনার পক্ষে। এটির বিশ্লেষণ, আর্জেন্টিনার জয়ের সম্ভাবনা ৬১.১ শতাংশ; পয়েন্ট ভাগাভাগি হওয়ার সম্ভাবনা ২১.৯ শতাংশ আর অস্ট্রিয়ার অঘটন ঘটানোর সম্ভাবনা আছে ১৭.০ শতাংশ।







