‘এটা বিস্ময়কর। অসাধারণ একটি বছর ছিল। এখানে (মঞ্চে) থাকা এবং এই পুরস্কার জেতা আমার জন্য সম্মানের। সতীর্থদের অবদান ছাড়া আমি এখানে থাকতাম না।’
ফুটবল যে দিনশেষে দলীয় দেখা, সেটাই যেন লিওনেল মেসির এমন কথায় স্পষ্ট। দ্বিতীয়বারের মতো ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতা আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি নিজের পারফরম্যান্সকে নয়, দলের সতীর্থদের অবদানকেই সামনে তুলে আনলেন।
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে জমকালো আয়োজনে ফিফা দ্য বেস্ট অ্যাওয়ার্ডের ২০২১–২২ মৌসুমের বিজয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেয়া হলেও মেসিই ছিলেন সব আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। খেলোয়াড়ি জীবনে স্বপ্ন পূরণের সবটুকুই হয়েছে বলে হাসিমুখেই জানালেন এলএম টেন।
‘আমি যে স্বপ্নটি এতদিন ধরে আশা করছিলাম, তা অর্জন করেছি। খুব কম মানুষই তা অর্জন করতে পারে। আমি তা করতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি।’
আর্জেন্টিনার দলনেতা কাতার বিশ্বকাপে করেছেন ৭ গোল। সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৩টি। পিএসজির জার্সিতে গত মৌসুমে ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ান, ফ্রেঞ্চ কাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মিলিয়ে খেলেছেন ৩৪ ম্যাচ। ১১ গোলের পাশাপাশি এসিস্ট করেছেন ১৫ গোলে। জিতেছেন লিগ শিরোপাও। আর তাই ফিফার সদস্য দেশগুলোর কোচ, অধিনায়ক, নির্বাচিত গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের ভোটে বিশ্বজয়ী মেসি।








