মালদ্বীপকে হারিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডের টিকিট নিশ্চিত করার পর দর্শকরা বিপুল করতালি দিয়ে স্বাগতিক ফুটবলারদের অভিনন্দিত করতে থাকেন। খেলোয়াড়রা যখন গ্যালারিতে থাকা দর্শকদের অভিনন্দনের জবাব দিচ্ছিলেন, সেসময় অন্যরকম একটি দৃশ্য দেখা যায়। ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে উদযাপন করেন বাংলাদেশ দলের ফুটবলার বিশ্বনাথ ঘোষ। সঙ্গে সতীর্থরাও যোগ দেন।
রেফারির শেষ বাঁশি বাজার পর বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা হয়ে ওঠে উৎসবের স্থান। ঢোল পেটানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের জয়ের উল্লাস ধ্বনিতে মুখরিত হয় চারপাশ। ছড়িয়ে পড়তে থাকে লাল ও সবুজ রঙের ফ্লেয়ার। এরমাঝেই বিশ্বনাথের হাতে ভিনদেশী পতাকার দেখা মেলে।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে মাঠে প্রতিবাদ নতুন কিছু নয়। যদিও এব্যাপারে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার বারণ আছে। ফিফার আইনে বলা আছে, কেউই মাঠে থাকা অবস্থায় জার্সিতে কোনো প্রকার রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহার করতে পারবেন না। সে কারণে বিশ্বনাথের হাত থেকে পতাকা দ্রুত সরিয়েও নেয়া হয়েছে।
ম্যাচ শুরুর আগে গ্যালারির একপাশে ফিলিস্তিনের বড় একটি পতাকা দেখা যায়। সেটির নিচে লেখা ছিল ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’। ফিলিস্তিনিদের দুর্দশার প্রতিবাদে দর্শকদের একটি অংশ সেই পতাকা নিয়ে এসেছিল। অবশ্য পুলিশ দ্রুতই সেটি সরিয়ে নেয়।
পরে সংবাদ সম্মেলনেও ফিলিস্তিনের পতাকার প্রসঙ্গটি ওঠে। লাল-সবুজের জার্সি গায়ে ম্যাচের প্রথম গোল করা ফরোয়ার্ড রাকিব হোসেন বললেন, ‘ফিলিস্তিন মুসলিম দেশ। বিশ্বনাথ ও আমরা সবাই মিলে আলোচনা করেছিলাম তাদের সমর্থন করবো। সবাই তাদের যেহেতু সমর্থন করছে, তাই আমরাও করবো।’








