এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
আগামী মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) অ্যাপল তাদের নতুন আইফোন ১৭ সিরিজ প্রকাশ করতে যাচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে নতুন এই অ্যাপল ফোনের ফিচারগুলো।
এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
মঙ্গলবার অ্যাপল আয়োজন করেছে এক ‘আও ড্রপিং’ ইভেন্ট। এই আয়োজনে উন্মোচিত হতে পারে আইফোন ১৭ সিরিজের চারটি নতুন মডেলসহ নতুন অ্যাপল ওয়াচ, আপডেটেড এয়ারপডস এবং একাধিক আনুষঙ্গিক ডিভাইস।
অ্যাপলের নতুন সিরিজে আসতে পারে, আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স, আইফোন ১৭ প্রো, আইফোন ১৭ এয়ার এবং আইফোন ১৭ (স্ট্যান্ডার্ড ভার্সন)।
অ্যাপলের সিইও টিম কুক গত মাসে একটি থার্মাল ক্যামেরা ইমেজ স্টাইলের লোগো দিয়ে ইভেন্টের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের ধারণা করছেন, ডিভাইসটিতে থার্মাল ক্যামেরা অথবা নতুন ধরনের কুলিং সিস্টেম থাকতে পারে।
ব্লুমবার্গের রিপোর্ট অনুযায়ী, আইফোন ১৭ হতে পারে গত পাঁচ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় ডিজাইন আপডেট। বিশেষ করে আইফোন ১৭ এয়ার হতে পারে এই সিরিজের নতুন চমক, যার ডিজাইন ম্যাকবুক এয়ার এবং আইপ্যাড এয়ার থেকে অনুপ্রাণিত।
পুরুত্ব মাত্র ৫ দশমিক ৫ মিমি, যা সাম্প্রতিক স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ এজ থেকেও পাতলা থাকছে এ১৯ চিপসেট, ইউএসবি-সি পোর্ট, প্রোমোশোন ডিসপ্লে।
৬ দশমিক ৬ ইঞ্চি স্ক্রিন
আইফোন ১৭ প্রো মডেলে উন্নত ক্যামেরা ফিচার থাকতে পারে, যেমন: কম আলোতে ভালো পারফর্মেন্স এবং উচ্চ মানের জুম।
রিপোর্ট অনুযায়ী, এবারের আইফোন ১৭ সিরিজে আসতে পারে দুইটি নতুন রঙ, সবুজ এবং বেগুনি। গত বছরের আইফোন ১৬ পাওয়া গিয়েছিল পাঁচটি রঙে, কালো, সাদা, গোলাপি, টিল এবং আল্ট্রামারিন ব্লু।
ব্যাটারিতে বড় চমক
ফরবেস-এ প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী, আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স-এ থাকতে পারে প্রায় ৫ হাজার এমএএইচ ব্যাটারি, যা এখন পর্যন্ত আইফোনে সবচেয়ে বড় ব্যাটারি হতে পারে। তুলনায়, আইফোন ১৬ প্রো ম্যাক্স-এর ব্যাটারি ছিল ৪ গাজার ৬৭ এমএএইচ।
এছাড়াও, এতে থাকতে পারে আরও উন্নত ওএলইডি ডিসপ্লে, যা উচ্চ ব্রাইটনেস সাপোর্ট করবে কিন্তু ব্যাটারি খরচ কমাবে। ভিডিও নির্মাতাদের জন্য থাকছে ৪কে ৬০এফপিএস ভিডিও রেকর্ডিং সাপোর্ট।
সম্ভাব্য মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারে
আইফোন ১৭ (বেস মডেল) – ৭৯৯ ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা।
আইফোন ১৭ এয়ার – ৮৯৯ ডলার থেকে ৯৪৯ ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ লাখ ১৫ হজার ৬০০ টাকা।
মূল্য নির্ধারণে মুদ্রার ওঠানামা এবং অ্যাপলের গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজি ভূমিকা রাখতে পারে।








