এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) তিন পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম, খালেদ মাসুদ পাইলট এবং ফারুক আহমেদের একটি ছবি প্রকাশ করেছিল দেশের একটি সংবাদ মাধ্যম। তিন পরিচালকের মাঝে কথা হচ্ছিল কিছু একটা নিয়ে। দূর থেকে আঁচ করা না গেলেও আলোচনা পর্ব উত্তেজনাকর ঠেকছিল ছবিতে। মূহুর্তেই ছবিটি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বিসিবি চিত্রগ্রাহককে মেইল করে সতর্কবাতা পাঠায়। সেই ছবিটি প্রসঙ্গে বিসিবি সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ বলেছেন, এআই দিয়ে তৈরি করা হতে পারে।
রোববার পূর্বাচলে ক্রিকেটার্স একাডেমিতে সিসিডিএম চ্যালেঞ্জ কাপ ফাইনালের পর সংবাদমাধ্যমে এমন বলেছেন ফারুক আহমেদ। বলেছেন, ‘আমার মনে হয় কিছুটা এআই করা হয়েছে ছবিটাতে। আসলে এমন পরিস্থিতি ছিল, এটা একটা আলাপ ছিল। পাইলট বলেছে অনেকবার, রংপুর গার্ডেনে গিয়েছিলাম, ঢাকা স্টেডিয়ামে যে সুবিধা আছে, সেগুলো নিয়ে আলাপ করেছিলাম।’
ছবিতে দেখা যায় নাজমুল ইসলামের দিকে আঙুল তোলা অবস্থায় আছেন ফারুক আহমেদ। তবে ফারুক দাবি করেছেন, আঙুলটি তার নয়। বলেছেন, ‘ছবিটা ভালোভাবে খেয়াল করলে দেখবেন, এটা আমার আঙুল না, এই আঙুলটা কোথা থেকে এসেছে আমি জানি না। সামনে একজন ভদ্রমহিলা তার বাচ্চাকে নিয়ে খেলা দেখছে। তার মাঝখানে দুইজন মানুষ, এটা কীভাবে সম্ভব, কোন ভদ্রলোক এই কাজ করতে পারে বলে মনে হয় না।’
ছবিটা নিয়ে ফারুক সন্দেহের কথায় জানিয়েছেন, ‘ছবিটা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। আর ছবিটা যদি কোন পর্যায়ে হয়ে থাকে, কথা বলার সময়ে হাত আর বন্ধ রাখতে পারি না, হাত চলতে থাকে। আমার মনে হয় এটা খুব সম্ভবত বানানো একটা ছবি। প্রেক্ষাপট বলতে কিছুই নাই এখানে, এখানে কোন আর্গুমেন্ট, ডেভেলপমেন্ট, বাজেট কেমন হতে পারে, রংপুরের জায়গাটা যেন লম্বা সময় পেতে পারি, এটাই আমাদের টার্গেট ছিল আলাপে।’
ছবিটি যদি এআই দিয়েই করা হয়, তাহলে এমন ঘটনায় চিত্রগ্রাহককে মেইল করে সতর্ক করার কারণ বিষয়ে ফারুক বলেছেন, ‘হতে পারে, মানে একদম হয়েছে এমন না। যদি সত্যি হয় তাহলে সাবধান করা হয়েছে। যদি এআই হয় তাইলে তো না-ই। এটা তো দোষের কিছু দেখি না। বোর্ড থেকে যে সাবধান করা হয়েছে, এটা আমি বেশি জানি না। হয়ত ডিসিপ্লিনারি থেকে সাবধান করা হয়েছে। উনি যদি প্রেক্ষাপট না জানে, ছবি দিয়ে কিছু করা যাবে না। এসব কোন কনফিউশন করার দরকার নাই, সবাইকে অনুরোধ করছি আমি। একটা ছবি দিয়ে চালিয়ে দেন, এমন সাংবাদিকতা না করলে ভালো হয় আমার মনে হয়।’
এছাড়া ব্যক্তিগত মেইল থেকে সতর্ক করা নিয়ে ফারুক বলেছেন, ‘অনেক ঘটনা তাড়াতাড়ি ঘটে যায়, অনেক সময় রিয়েক্ট করার সময়ও থাকে না। ব্যক্তিগত মেইল থেকে না করলে ভালো, এটা বোর্ড থেকে করলেই ভালো হয়। অনেক সময় তাড়াহুড়ায় এমনটা হয়ে যায়।’








