এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসন (ভাঙ্গা, চরভদ্রাসন, সদরপুর উপজেলা) থেকে ভাঙ্গাকে আলাদা করে ফরিদপুর-৫ সংসদীয় আসন চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।
সোমবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া এবং বিশ্বজিৎ দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে অনুমতি (পারমিশন) নিয়ে রিটটি ভাইল করা হয়েছে।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং ফরিদপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল হক শাহজাদা মিয়া, বিএনপির অঙ্গসংগঠন জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. শাহ আলম রেজা, আইনজীবী এম ফাহাদ খান, ব্যবসায়ী এম এম শহিদুল ইসলাম শাহীন, চরভদ্রাসন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য শাজাহান শিকদারসহ সদরপুর এবং চরভদ্রাসনের ১৬ জন রিটটি করেছেন।
রিটের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব বলেন, নির্বাচন কমিশন আগামী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত সীমানা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সেই প্রজ্ঞাপনে চরভদ্রাসন, সদরপুর ও ভাঙ্গা উপজেলাকে (দুই ইউনিয়ন বাদে) নিয়ে ফরিদপুর-৪ সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ করে। নির্বাচন কমিশনের ওই প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ করে রিটটি দায়ের করা হয়। রিটে জাতীয় সংসদের সীমানা নির্ধারণী আইন ২০২১-এর ৭ ধারা এবং বাংলাদেশ সংবিধানের ১২৫ (ক) অনুচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।
আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন ২০০৮ সালে দুটি সংসদীয় আসন (ফরিদপুর-৪ এবং ফরিদপুর-৫) একত্রিত করে তিনটি উপজেলার সমন্বয়ে একটি আসনে (ফরিদপুর-৪) করে। তবে আজকের রিট আবেদনকারীদের কয়েকজন পূর্বের ন্যায় ফরিদপুর-৪ এবং ফরিদপুর-৫ দুটি স্বতন্ত্র সংসদীয় আসন পুনর্বহালের জন্য আবেদন করলে নির্বাচন কমিশন সে আবেদন নামঞ্জুর করে এবং ভাঙ্গা উপজেলা থেকে দুটি ইউনিয়ন পরিষদ বিচ্ছিন্ন করে পার্শ্ববর্তী ফরিদপুর-২ সংসদীয় আসনের সঙ্গে সংযুক্ত করে।








