এফএ কাপে কোয়ার্টার ফাইনালে বোর্নমাউথকে হারিয়ে ঈদের জয় উপহার দিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। আর্লিং হালান্ডের পেনাল্টিতে গোল করতে না পারার পর এক গোলে পিছিয়ে পড়েও দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাজিক দেখিয়েছে দলটি, পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা জিতেছে ২-১ গোলে। বোর্নমাউথকে হারিয়ে টানা সপ্তমবারের মতো প্রতিযোগিতাটির সেমিফাইনালে উঠল সিটিজেনরা।
ভাইটালিটি স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই ম্যানচেস্টার সিটির উপর চেপে বসে বোর্নমাউথ। সিটিজেনরা প্রথম আক্রমণ করে মিনিট দশেকের মাথায়। রাইট উইং থেকে বের্নার্দো সিলভার ক্রসে আর্লিং হালান্ড হেড করলে বারের বাইরে দিয়ে চলে যায়। ১৪ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি পায় ম্যানসিটি।
ডি-বক্সের মধ্যে বল পান সিলভা, ছোট ক্রস করতে গিয়ে বল হাতে লাগে অ্যাডামসের। পেনাল্টি নিতে আসেন হালান্ড, তার শট ঠেকিয়ে দেন কেপা আরিজাবালাগা। প্রথমবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগবঞ্চিত হয় সিটি। দুই মিনিট পর আরও একটি সুযোগ পান হালান্ড, গোলকিপারকে একা পেলেও গোল করতে পারেননি নরওয়ের তারকা।
২১ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে ম্যানসিটি। সিটি ডিফেন্ডারদের ভুলে গোল করেন বোর্নমাউথের স্ট্রাইকার এভালিসন, সিটির গোলমুখের সামনে জটলায় গোল করে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। আরও আক্রমণ হলেও ১-০তে পিছিয়ে বিরতিতে যান হালান্ড-ডি ব্রুইনরা।
বিরতি থেকে ফিরে কাঙ্ক্ষিত শুরুর গোল এনে দেন পেনাল্টিতে গোল দিতে না পারা হালান্ড। তার দুর্দান্ত গোলে ৪৯ মিনিটে সমতায় ফেরে ম্যানসিটি। হালান্ড হালকা চোটে উঠে গিয়ে দায়িত্ব দেন ওমর মারমুশকে, ৬৩ মিনিটে গোল করে সিটিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মারমুশ।
এগিয়ে গিয়ে দারুণ খেলতে থাকে ম্যানসিটি, দারুণ কিছু আক্রমণ উপহার দেন মারমুশ। ৮২ মিনিটে বল বারে মেরে গোলবঞ্চিত হন ইলকাই গুন্ডোয়ান। ৯২ মিনিটে আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া করেন মাকিতি। বল থ্রো করতে সময় বেশি নেয়ায় হলুদ কার্ড দেখেন সিটির ম্যাথিয়াস নুনেস, মাকিতি দেখেন ৯৫ মিনিটে।
এরপর আর কোনো গোল না হলে হেরে প্রথমবার সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয় বোর্নমাউথের। সেমিফাইনালে নটিংহ্যাম ফরেস্টের মুখোমুখি হবে ম্যানসিটি। অপর সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ক্রিস্টাল প্যালেস ও অ্যাস্টন ভিলা।








