হজ যাত্রীদের লাগেজ বিতরণে চরম অব্যবস্থাপনা

হজ যাত্রীদের লাগেজ বিতরণে বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা, অনেক যাত্রী অপেক্ষমাণ।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ
‘রুট টু মক্কা’ ইনিশিয়েটিভ এর আওতায় হজ পালন করতে আসা হজযাত্রীদের লাগেজ বিতরণে চরম বিশৃঙ্খলা, অব্যবস্থাপনা দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আগত হজযাত্রীরা। এসব লাগেজে থাকা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ওষুধাদি সময় মত না পেয়ে অনেক হজযাত্রী মক্কায় বাংলাদেশ হজ মিশনে অভিযোগ করেছেন।
চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশী হজ যাত্রীদের ফ্লাইট শুরু হওয়ার প্রথম দিন থেকেই সময় মত লাগেজগুলো বিতরণ না করায় বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। বিগত বছরগুলোতে হজ ফ্লাইটের শেষের দিকে লাগেজ ব্যবস্থাপনায় কিছুটা বিশৃঙ্খলা দেখা গেলেও এইবার প্রথম ফ্লাইট থেকেই বিশৃঙ্খলা দেখা যাচ্ছে।
শরিফুল ইসলাম সপরিবারে হজ পালন করতে গত ২৯ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে দ্বিতীয় ফ্লাইটে সৌদি আরব আসলেও এখন পর্যন্ত নিজের লাগেজটি বুঝে পাননি। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট এজেন্সি মক্কায় অভিযোগ করেও এখন পর্যন্ত লাগেজ না পেয়ে অনেকটা হতাশ হয়ে পড়েছে।
কয়েকজন এজেন্সি মালিক, গ্রুপ লিডার অভিযোগ করেছেন, বিগত বছরগুলোতে লাগেজ বিতরণে নিয়োজিত কোম্পানি হজ যাত্রীদের লাগেজ স্ব স্ব হোটেলে পৌঁছে দিতেন। আবার অনেক সময় হোটেলে না পৌঁছাতে পারলেও পিক পয়েন্ট হিসেবে মক্কায় বাংলাদেশ হজ মিশনে বুঝিয়ে দিতেন। এবছর দায়িত্বপ্রাপ্ত কোম্পানি মক্কায় হজযাত্রী অধ্যুষিত সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে প্রায় সাত-আট কিলোমিটার দূরে পিক পয়েন্ট করায় হজ যাত্রীরা সময় মত লাগে পাচ্ছেনা বলে অভিযোগ করেন।
হজ এজেন্সিস এসোসিয়েশন বাংলাদেশ (হাব) এর প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব মাওলানা ইয়াকুব সারাফতি চুক্তি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট কোম্পানি অবশ্যই হজ যাত্রীদের লাগেজ হোটেলে পৌঁছে দিতে হবে। তিনি বলেন, হজযাত্রীরা মক্কার রাস্তাঘাট চিনেনা। বিশেষ করে এতদূর থেকে লাগেজ সংগ্রহ করা কোনভাবেই সম্ভব নয়। তিনি এই বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রণালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
তারা বলেন, হজ যাত্রীদের আবাসনের হোটেলগুলো ৯০ শতাংশেরও বেশি মক্কার কাবাঘর বেষ্টিত মিসফালা, কুদাই, আল জিয়াদ, গাজা, জান্নাতুল মা’আলা অঞ্চলে অবস্থিত। এমতাবস্থায় ৮ থেকে ৯ কিলোমিটার দূর থেকে লাগেজ সংগ্রহ করা অনেকটা দুরহ হজ যাত্রীদের জন্য। তারা দাবি করেন, মক্কায় বাংলাদেশ হজ মিশনে পিক পয়েন্ট করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা।






