ভরা মৌসুমেও কাঙ্খিত ইলিশ মিলছে না চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায়। নদীতে নেমে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরছেন জেলেরা। এ সময়ে মাছ শিকার করে ঋণ শোধের পরিবর্তে জীবিকা নির্বাহে উল্টো নতুন করে ঋণগ্রস্ত হচ্ছেন বলছেন জেলেরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় বৃদ্ধি পেয়েছে পানির প্রবাহ। চলমান আছে বৃষ্টিপাত। ইলিশ আহরণের উপযুক্ত সময় এটি। উপযুক্ত সময় হলেও চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় জেলেদের জালে মিলছে না কাঙ্খিত ইলিশ। মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের জালে কখনো মিলছে দু একটি মাছ অথবা ফিরছেন খালি হাতে। মাছ বিক্রি করে মিলছে ৩শ থেকে ৫শ টাকা প্রতিজনে। কোনভাবে সংসার চলছে বলে জানান জেলেরা।
চাঁদপুর নদী কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আবু কাউসার দিদার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আছে মাছের বিচরণ ক্ষেত্রে। নদীতে অনুকূল পরিবেশ তৈরি হচ্ছে মাত্র। সহশাই জেলেদের জালে ধরা পড়বে কাঙ্খিত ইলিশ আশা করছেন এ ইলিশ গবেষক।
চাঁদপুর সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তানজিমুল হাসান বলেন, অসহায় জেলেদের জীবন মান-উন্নয়নে মৎস্য বিভাগ থেকে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ইতিমধ্যে কিছু পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে সেলাই মেশিন, ভ্যান গাড়ি এবং বকনা বাছুর। জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে এ কার্যক্রম অব্যাহত আছে।
জেলায় নিবন্ধিত জেলে রয়েছে প্রায় ৪৬ হাজার। ইতিমধ্যে বিকল্প কর্মসংস্থানের উপকরণ পেয়েছে প্রায় ৫ হাজার ৫শ জেলে পরিবার।








