এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
আট বছর আগে অতিরিক্ত সময়ের গোলে ইউরো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্মৃতিটা পর্তুগালের জন্য টাটকা। জিনেদিন জিদানের গোল্ডেন গোলে দুদশক আগের সেমিফাইনাল জয়ের সুখস্মৃতি সঙ্গী করে লড়তে চাইবে ফ্রান্স। মহাদেশীয় আসরে কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামছে দুই জায়ান্ট।
শুক্রবার দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল মাঠে গড়াবে। হামবুর্গে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় শুরু হবে ম্যাচ। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ফ্রান্স, ষষ্ঠ স্থানে পর্তুগাল।
পরিসংখ্যানে চোখ রাখলে ফরাসিদের একচেটিয়া প্রাধান্য পরিষ্কার। দুদলের শক্তি ও সামর্থ্য, সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় নিলে অবশ্য এসব সংখ্যাতত্ত্ব কম গুরুত্ব পাবে। কারণ সবশেষ চার দেখায় দুদলের একটি করে জয়-পরাজয় ও দুটি ড্র রয়েছে।
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এপর্যন্ত দুদল ২৮বার মুখোমুখি হয়েছে। ফ্রান্সের ১৯ জয়ের বিপক্ষে পর্তুগালের জয় ৬টিতে। বাকি ৩ ম্যাচ হয়েছে ড্র।
ইউরোতে ৪বারের দেখায় ফ্রান্স দুটিতে ও পর্তুগাল একটিতে জয়ের মুখ দেখেছে। একটি ম্যাচ ছিল ড্র। আসরটিতে দুই জায়ান্ট ১৯৮৪ সালে প্রথম একে অপরের বিপক্ষে লড়েছে। সেমির সেই মহারণে মিশেল প্লাতিনির গোল্ডেন গোলে ফ্রান্স ২-১ ব্যবধানে জয়ের স্বাদ পায়।
১৯২৬ সালে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে প্রথম লড়াইয়ে ফ্রান্স ৪-২ গোলে জিতেছিল। এপর্যন্ত তারা একবারই বিশ্বকাপে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছে। মিউনিখের সেই সেমিফাইনালে পেনাল্টি কিকে নিশানাভেদ করেছিলেন জিদান, একমাত্র গোলের জয়ে ফাইনালে গিয়েছিল ফরাসিবাহিনী।








