গায়ের রং কালো নাকি সাদা বিবেচনা করে নারীর সৌন্দর্য বিচার করা বর্ণবাদী মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু তা সত্ত্বেও আজন্মকাল অনেকেই এই মানসিক দাসত্ব বহন করে চলেছেন। অভিনেত্রী এশা গুপ্তা সম্প্রতি ফাঁস করেছেন কেমনভাবে এই মানসিকতার শিকার হয়েছিলেন তিনি।
শোবিজ দুনিয়ার নায়িকা মানেই সুন্দরী, আর সুন্দরী মানেই তাকে হতে হবে ফর্সা, ধবধবে সাদা- এ যেন এক অলিখিত নিয়ম। এশা জানিয়েছেন ফর্সা হতে ইনজেকশন নেওয়ার উপদেশ দেওয়া হয়েছিল তাকে।
বলিউডে এক দশক কাটিয়ে ফেলা অভিনেত্রী সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘ক্যারিয়ারের শুরুতে আমাকে নিজের নাকটা আরও টিকালো করতে বলা হয়েছিল। লোকে বলত আমার নাকটা নাকি বড্ড গোল। তার আগে আমাকে লোকে এমনও উপদেশ দিত ফর্সা হতে আমার ইনজেকশন নেওয়া উচিত। আমি তো কিছু সময়ের জন্য তাদের কথায় কানও দিয়েছিলাম। খোঁজ নিয়ে জেনেছিলাম সেই ইনজেকশনের দাম ৯ হাজার টাকা। আমাদের বলিউডের অনেক নায়িকাই সেগুলো ব্যবহার করেন, কিন্তু আমি নাম বলব না।’
এশা আরও জানান, ‘অভিনেত্রীদের দেখতে সুন্দর লাগতে হবে, এই চাপটা সবসময় থাকে। কোনদিন চাইব না আমার মেয়ে অভিনেত্রী হোক, তাহলে ছোট বয়স থেকে এই মানসিক চাপ ওকে সহ্য করতে হবে। সাধারণ জীবনযাপন করতে পারবে না ও।’
২০১২ সালে ‘জান্নাত টু’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন এশা। প্রকাশ ঝাঁ’র ‘চক্রব্যুহ’ ছবিতে এশার পারফরম্যান্স প্রশংসিত হয়। এরপর একে একে ‘রাজ থ্রিডি’, ‘রুস্তম’, ‘বাদশাহ’র মতো ছবিতে দেখা মেলে এশার।
বড় পর্দায় এশাকে শেষবার দেখা গিয়েছে ২০১৯ সালে। ওই বছর ‘টোটাল ধামাল’ এবং ‘ওয়ান ডে জাস্টিস ডেলিভারড’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন এশা। এরপর ‘নাকাব’, ‘রিজেক্ট এক্স’, ‘আশ্রম’-এর মতো ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন এশা। – হিন্দুস্তান টাইমস







