ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস ক্রিকেট বর্ণবাদ, আভিজাত্য এবং বিভিন্ন ধরণের বৈষম্যে আক্রান্ত। ইসিবি পরিচালিত একটি স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে আসার কথা জানিয়েছে খোদ ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের একটি দল।
২০২১ সালে ইসিবি কর্তৃক গঠিত ইনডিপেনডেন্ট কমিটি ফর ইকুইটি ইন ক্রিকেটে (আইসিইসি) বলা হয়ছে, বর্ণবাদ ও যৌনতা প্রতিরোধে যথেষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। নতুন এ প্রতিবেদনে ক্ষমা চাওয়া হয়েছে এবং নতুন করে খেলা শুরু করার কথা বলা হয়েছে।
এ প্রতিবেদন করতে ৪ হাজারের বেশি ব্যক্তির সাক্ষাতকার নেয়া হয়েছে, যেখানে ৫০% বেশি বর্ণনা করেছেন গত ৫ বছরে বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে জাতিগতভাবে ভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত বোলার আজিম রফিক অভিযোগ করেছিলেন কাউন্টিতে ২০২০ সালে বর্ণবাদ এবং উৎপীড়নের শিকার হয়েছিলেন। মেয়েদের প্রায়ই দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করা হয় বলে প্রতিবেদনে পাওয়া গেছে। এছাড়া শ্রেণীবৈষম্য দূর করতে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। প্রাইভেট স্কুলগুলো ক্রিকেটে আধিপত্য বিস্তার করে।
আইসিইসি’র চেয়ারম্যান সিন্ডি বাটস বলছেন, ‘আমাদের ফলাফল স্পষ্ট। বর্ণবাদ, শ্রেণীবৈষম্য, আভিজাত্য এবং যৌনতা আমাদের মূলে ছড়িয়ে পড়েছে। খেলাকে সত্যের মুখোমুখি হতে হবে যে, এটি পরিহাস বা বিদ্রুপের বিষয় নয়। ক্রিকেট কাঠামো এবং প্রক্রিয়ার মধ্যে বৈষম্য প্রকাশ্য।’
প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ক্ষমা চেয়েছেন ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান রিচার্ড থম্পসন। বলেছেন, ‘আয়োজকদের উচিত এই বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে নতুন করে শুরু করা। ইসিবি এবং বৃহত্তর নেতৃত্বের পক্ষ থেকে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। রিপোর্টের শেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে এখানে মেয়েদের এবং কালো মানুষদের অবহেলার চোখে দেখা হয়। আমরা এর জন্য সত্যিই দুঃখিত।’








