ইংল্যান্ডের কাছে শোচনীয় হারের পর গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে তাসকিন আহমেদকে বিমর্ষ অবস্থায় দেখা যায়। টাইগার পেসারের মলিন মুখ দেখেই স্পষ্ট ছিল, তার দলের জন্য দিনটা কেমন ছিল। ধর্মশালায় ফাস্ট বোলাররা কেন এতটা খারাপ করেছিল, এমন প্রশ্নও তাসকিনের কাছে ছুটে যায়। ২৮ বর্ষী ক্রিকেটার অবশ্য দিয়েছেন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া।
‘পেস আক্রমণে দুই বছরের অর্জনের পর যদি আপনি দুটি ম্যাচের পারফরম্যান্সকে এলোমেলো হিসাবে বিবেচনা করেন, তবে এটা একটি ব্যর্থতা। আমরা ভবিষ্যতে ভালো করার চেষ্টা করব। অজুহাত দিয়ে লাভ নেই। আমরা ভালো বোলিং করতে পারিনি।’
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বোলিংয়ে শুরুটা আহামরি না হলেও পরে দারুণভাবে ফেরে বাংলাদেশ। তবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অবস্থাতা ছিল যাচ্ছেতাই। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা ১৬তম ওভারে ১০০, ৩৩তম ওভারে ২০০ এবং ৪০তম ওভারে ২৯৮ রান তুলে ফেলে।
প্রায় সময় বাংলাদেশ বোলিংয়ে খরুচে হলেও সাম্প্রতিক সময়ে পেস-বোলিং ইউনিট অতীতে আশার জন্ম দিয়েছে। ২০১৯ এবং ২০২৩ বিশ্বকাপের মাঝে চার বছর সময়কালে তারা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সেরা সম্মিলিত বোলিং গড়ের অধিকারী। ফলে টাইগার পেসারদের নিয়ে প্রত্যাশা রয়েছে আকাশচুম্বী।
চার বছর আগে ওয়ানডে বিশ্বকাপের স্কোয়াডে জায়গা পাননি তাসকিন। কঠোর পরিশ্রম ও দারুণ পারফরম্যান্সের এখন তিনি লাল-সবুজের দলের পেস আক্রমণের নেতা বনে গেছেন। স্পিডস্টারের ভালো করতে না পারার যন্ত্রণা পরের ম্যাচগুলোতে পেসারদের ভালো করার তাগিদ তৈরি করুক, এটাই টাইগার সমর্থকদের প্রত্যাশা।








