বোর্ডে ৪৯ রান তুলতেই টপঅর্ডারের ৪ ব্যাটার হারিয়ে টাইগাররা রীতিমতো কাঁপছিল। ইংল্যান্ডের বোলিং তোপের সামনে বীরদর্পে লড়ে ফিফটি করেন লিটন দাস। উইকেটরক্ষক-ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে ৭২ রানের জুটি গড়েন। পরে মুশিও পৌঁছেছেন অর্ধশতকে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৬৫ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়ায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত টাইগারদের সংগ্রহ ৩০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৬০ রান। মুশফিক ৫০ ও তাওহীদ হৃদয় ২১ রানে অপরাজিত আছেন।
দারুণ ছন্দে থাকা লিটন জাগিয়েছিলেন সেঞ্চুরির আশা। পারেননি শেষপর্যন্ত। ক্রিস ওকসের কাটার তার ব্যাটে হালকা ছোঁয়া দিয়ে জস বাটলারের দস্তানায় জমা পড়ে। টাইগার ওপেনার ৬৬ বলে ৭ চার ও ২ ছক্কায় ৭৬ রান করে মাঠ ছাড়েন।
ইনিংসের শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে। ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থ তানজিদ হাসান তামিম। ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন। টপলের বলের লাইনে পায়ের কাজটাই ঠিকঠাক করতে পারেননি ২২ বর্ষী ব্যাটার। দ্বিতীয় স্লিপে জনি বেয়ারস্টোর হাতে দেন সহজ ক্যাচ।
পরের বলেই টপলের সুইংয়ে ড্রাইভ করে ধরা পড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত। পয়েন্ট অঞ্চলে থাকা লিয়াম লিভিংস্টোনের হাতে শান্ত ধরা পড়েন। জাগে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা।
মাত্র ১ রান করে টপলের বলে পরাস্ত হন সাকিব আল হাসানও। লেন্থ ডেলিভারিটির বিপক্ষে অসহায় ছিলেন টাইগার অধিনায়ক। অফস্টাম্পে আঘাত হানে বল।
নবম ওভারে ক্রিস ওকসের বলে হাফ ড্রাইভ খেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বল ব্যাটে লেগে জস বাটলারের গ্লাভসে জমা পড়লে মিরাজ ৮ রান করে মাঠ ছাড়েন।
এর আগে ধর্মশালায় মঙ্গলবার টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ইংলিশরা ৯ উইকেটে সংগ্রহ করে ৩৬৪ রান। বাঁহাতি ডেভিড মালান ১০৭ বলে ১৬ চার ও ৫ ছক্কায় ১৪০ রানের ইনিংস খেলেন। ৬৮ বলে ৮ চার ও এক ছক্কায় ৮২ রান করেন জো রুট।
বাংলাদেশের পক্ষে ৮ ওভারে ৭১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন শেখ মেহেদী। শরিফুল ১০ ওভারে ৭৫ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট পান তাসকিন ও সাকিব।







