দুইশ’র বেশি রান তাড়ায় ওপেনিং উইকেট জুটিতে ১, দ্বিতীয় জুটিতে শূন্য এবং তৃতীয় জুটিতে ২১ রানের পরও নাটক জমিয়ে তুলেছিল ইতালি। তবে শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতার কাছে হারতে হয়েছে প্রথমবার টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসা ইতালিকে। জয়ের কাছাকাছি গিয়েও শেষপর্যন্ত ২৫ রানের হার দেখেছে হ্যারি মানেন্তির দল। ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেছেন উইল জ্যাকস। এ জয়ে চার ম্যাচ শেষে ৬ পয়েন্টে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। এক ম্যাচ কম খেলা ওয়েস্ট ইন্ডিজের সুপার এইট আগেই নিশ্চিত হয়েছে।
কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে টসে জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২০২ রান তোলে ইংল্যান্ড। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭৮ রান তুলে অলআউট হয় ইতালি। ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত হয় ২৪ রানে।
আগে ব্যাট করতে নামা ইংল্যান্ডের ওপেনার জশ বাটলার ও জফরা আর্চার ছাড়া বাকি সবাই ভালো রান করেছেন। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৩ রান করে অপরাজিত থাকেন উইল জ্যাকস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন টম ব্যান্টন। ওপেনার ফিল সল্টের থেকে আসে ২৮ রান। এছাড়া স্যাম কারেন ও জ্যাকব বেথেল করেন ২৫ ও ২৩ রান।
ইতালির ক্রিশান কালুগামাগে ও গ্র্যান্ট স্টুয়ার্ট ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। একটি করে উইকেট নিয়েছেন জেজে স্মাটস, আলী হাসান ও বেন মানেন্তি।
জবাব দিতে নেমে মোটেও সুবিধা করতে পারেনি ওপেনিং জুটি। প্রথম ওভারেই ফিরে যান অ্যান্তনি মোসকা, ওভারের শেষ বলে ফিরে যান জেজে স্মাটস। ১২ রান করে সাজঘরে ফেরেন হ্যারি মানেন্তি।
এরপর ৪৮ বলে ৯২ রানের ঝড়ো জুটি গড়েন বেন মানেন্তি ও জাস্টিন মোসকা। ম্যাচ কাছাকাছি নিয়ে আসেন এ দুই ব্যাটার। পরে গ্র্যান্ট স্টুয়ার্ট ও মোসকা ২১ এবং স্টুয়ার্ট ও জাসপ্রিত সিং ১৮ বলে ৪০ রানের জুটি গড়লে ইতালির জয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়। কিন্তু ইংল্যান্ডের অভিজ্ঞতার কাছে ধরা খায় ইতালি, হারে ২৪ রানে।
ইংল্যান্ডের জেমি ওভারটন ও স্যাম কারেন ৩টি করে উইকেট নেন। জফরা আর্চার নেন ২টি উইকেট এবং একটি করে উইকেট পান জ্যাকস আদিল রশিদ।








