ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ইংলিশদের ৩০৪। ছোট সংস্করণের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনশোর্ধ রানের ইনিংস। বিশ্ব যা দেখেছে তৃতীয়বারের মতো। ইংলিশদের এই প্রথম। রানের পাহাড় গড়া দ্বিতীয় ম্যাচে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৪৬ রানের জয় পেয়ে সিরিজে সমতায় ফিরেছে স্বাগতিক দল। ইংলিশ ওপেনার ফিল সল্টের ব্যাট থেকে আসে ১৪১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। যা আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে ব্যাটারদের মধ্যে সপ্তম সর্বোচ্চ।
নিজের রেকর্ড ভাঙার দিনে ইংলিশদের হয়ে টি-টুয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলেন সল্ট। সঙ্গে রেকর্ড গড়েন ইংলিশদের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির। ২৩৫ স্ট্রাইক রেটে সল্ট ৬০ বলে ১৪১ রানের ইনিংসটি সাজান ১৫টি চার ও আটটি ছক্কার মারে। ইংলিশদের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংস তার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০২৩ সালে ৮০ বলে ১১৯ রান করেছিলেন সল্ট। সবমিলিয়ে ইংলিশ ব্যাটাররা টি-টুয়েন্টিতে এপর্যন্ত আটটি শতক হাঁকিয়েছেন। যার চারটিই সল্টের।

সল্টের এতো রেকর্ডের দিনে এই সংস্করণে আগে ব্যাট করে সর্বোচ্চ ব্যবধানের জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে যা তৃতীয় সর্বোচ্চ। ২০২৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৬৮ রানের জয় তুলে ভারত, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। ইংলিশদের বিপক্ষে ভারত ২০২৫ সালে জিতেছিল ১৫০ রানে। যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
ম্যানচেস্টারে প্রথমে ব্যাটে এসে ৮ ওভারে ১২৬ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন জস বাটলার ও ফিল সল্ট। বাটলার ৩০ বলে খেলেন ৮৩ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে আসে আরো ৯৫ রান। তাতেই রানের পাহাড়ের দিকে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। সঙ্গে হ্যারি ব্রুকের অপরাজিত ৪১। সল্টের অপরাজিত ৬০ বলে ১৪১। দুই উইকেটে ইংলিশদের বিশাল সংগ্রহ।

রানতাড়ায় প্রোটিয়ারা খেই হারিয়ে ফেলে। পাওয়ারপ্লেতেই তিন উইকেট হারায় তারা। এরপর একে একে সব উইকেট হারিয়ে তাদের ইনিংস থামে ১৫৮ রানে। সাউথ আফ্রিকার হয়ে স্কোরবোর্ডে সর্বোচ্চ ৪১ রান তোলেন এইডেন মার্করাম।
ইংলিশদের হয়ে জোফরা আর্চার নেন সর্বোচ্চ ৩ উইকেট। প্রোটিয়া বোলার কাগিসো রাবাদার ৪ ওভারে ইংলিশ ব্যাটাররা রান তুলেন ৭০। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে একজন বোলারের চার ওভারের স্পেলে যা সর্বোচ্চ।
ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ইংলিশদের তিনশোর্ধ রানের ইনিংসের আগে সকল ধরনের ছোট সংস্করণের ক্রিকেটে যা ঘটেছে তিনবার। ২০২৪ সালে ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে বারোদা সিকিমের বিপক্ষে তুলেছিল ৩৪৯ রান। যা সর্বোচ্চ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জিম্বাবুয়ে সর্বোচ্চ রানের মালিক। রোডেশিয়ানরা গাম্বিয়ার বিপক্ষে খেলেছিল ৩৪৪ রানের ইনিংস। এরপরে নেপাল খেলেছিল মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে ৩১৪ রানের ইনিংস।







