টেস্টে ইংল্যান্ড যখন বাজে সময় পার করছিল, তখন দলটির সাদা পোশাকের হেড কোচের দায়িত্ব নিয়েই জাদুর ছোঁয়ার মতো সব পাল্টে দিলেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। কিউইদের সাবেক অধিনায়ক ইংলিশদের কোচ হয়ে দলের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের দর্শন। লাল বলে মারমুখী ব্যাট করার ফর্মুলাটা ভালোই কাজে লেগেছে বেন স্টোকসের দলের। এসেছে টানা চতুর্থ জয়।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টানা তিন টেস্টে আড়াইশর বেশি রান দ্রুতগতিতে তাড়া করে জয় তোলে থ্রি লায়ন্স বাহিনী। এজবাস্টন টেস্টে ভারতের বিপক্ষে ৩৭৮ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করে আড়াই সেশন হাতে রেখেই, ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয়।
ম্যাককালাম কোচের দায়িত্ব নেয়ার পর আগ্রাসী ব্যাট করে যেভাবে টেস্ট খেলছে ইংল্যান্ড, ধরনটি ‘বাজ-বল’ হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে ইংলিশ মিডিয়ার কল্যাণে। ম্যাককালামের ডাকনাম ‘বাজ’, এখন তার কোচিং দর্শনে সাফল্য আসায় বলা হচ্ছে ‘বাজ-বল’ ক্রিকেট খেলছেন রুট-বেয়ারস্টোরা।
অস্ট্রেলিয়ার স্টিভেন স্মিথ অবশ্য ‘বাজ-বল’ নিয়ে ইংল্যান্ডের অতি লাফালাফি উপভোগ করছেন না। খোঁচাও দিয়েছেন। ছুঁড়েছেন প্রশ্ন।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের আগে স্মিথ বলেছেন, ‘এটি (এজবাস্টন টেস্ট) কিছুটা দেখেছি। অবশ্যই বিনোদন দিতে পেরেছে। (বাজ-বল) কতকাল স্থায়ী হয় দেখতে আগ্রহী। যদি এমন একটি উইকেটে আসেন যেখানে কিছু ঘাস আছে এবং জশ হ্যাজেলউড, কামিন্স এবং স্টার্ক আপনার দিকে বল ছুটছেন, তাহলে কি একইরকম ব্যাটিং হবে? আমরা দেখব কী ঘটে।’
রানমেশিন হয়ে যাওয়া জো রুট সেঞ্চুরি সংখ্যায় স্মিথ ও বিরাট কোহলিকে ছাড়িয়ে গেছেন। তিন অঙ্কের ঘরে রুট পৌঁছেছেন ২৮ বার, স্মিথ ও কোহলি ছুঁয়েছেন ২৭ বার। রুটের প্রশংসা করতে তাই কার্পণ্য করেননি স্মিথ। একইসঙ্গে মনে করিয়ে দিয়েছেন ম্যাচ সংখ্যার পার্থক্যও।
‘তিনি আমার চেয়ে কয়েকটা (৩৫) টেস্ট বেশি খেলেছেন। তবে অন্য ব্যাটাররা বিভিন্ন কন্ডিশনে খেলে সারাবিশ্বে সত্যিই ভালো করছে দেখে দারুণ লাগছে।’
‘রুট খুব ভালোভাবে সুইপ করেছেন, স্লিপের উপর দিয়ে উড়িয়ে মারার সাহস পেয়েছেন। তিনি একজন মানসম্পন্ন খেলোয়াড় এবং মনে হচ্ছে এমুহূর্তে তাকে আউট করা কঠিন।’








