আর্জেন্টিনা-নেদারল্যান্ডসের কোয়ার্টার ফাইনালে একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত দিয়ে সমালোচিত হন স্প্যানিশ রেফারি অ্যান্তনিও মাতেউ লাহোস। ম্যাচে তিনি মোট ১৮টি হলুদ কার্ড দেখান। যার দুটি ছিল আর্জেন্টিনার কোচ স্কালোনি ও সহকারী কোচকে দেখানো। টাইব্রেকারের সময় ডাচ ডিফেন্ডার ডেনজেল ডামফ্রিসকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে লাল করে মাঠছাড়া করেন।
পারফরম্যান্স ভালো না হওয়ায় লাহোসকে বিশ্বকাপের আর কোনো ম্যাচে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে না। তাকে আগেভাগেই বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর।
লাহোসকে নিয়ে সমালোচনামুখর হয়েছিলেন লিওনেল মেসি। বলেছিলেন, তার মতে কোয়ার্টার ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এমন রেফারিকে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেয়া উচিৎ হয়নি।
সেদিন নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে ডি-বক্সের একদম কাছে ফ্রি-কিক পায় নেদারল্যান্ডস। মেসি দাবি করেছেন, রেফারি ভুল সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন।
‘এটা মোটেও ভালো খেলা ছিল না। রেফারি ম্যাচটাকে অতিরিক্ত সময়ে পাঠিয়েছিলেন। তিনি সবসময় আমাদের বিপক্ষে ছিলেন। ওটা মোটেও ফাউল ছিল না।’
টাইব্রেকারে দুটি শট ঠেকিয়ে নায়ক বনে যাওয়া মেসির সতীর্থ গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজও রেফারিকে নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন।
‘তিনি নেদারল্যান্ডসকে বক্সের বাইরে দুই-তিনবার ফ্রি-কিক দিয়েছেন। রেফারি চেয়েছিলেন তারা গোল করুক। আসলেই তাই চেয়েছিলেন। আশা করি আমাদের এমন রেফারি আর থাকবে না। তিনি অকেজো।’








