ইমার্জিং এশিয়া কাপের আসরে শুরু থেকেই দারুণ ছন্দে ছিল আফগানিস্তান। গ্রুপপর্বে কেবল হংকংয়ের কাছে হার দেখেছিল। সেমিতে ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ফাইনালে ওঠে দলটি। শিরোপা মঞ্চে পা রেখেই বাজিমাত। শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তুলেছে আফগানবাহিনী।
টুর্নামেন্টের আগের পাঁচ আসরে শিরোপা জিতেছিল তিন দল। ২০১৩ সালে ভারত, ২০১৭ ও ২০১৮ আসরে শ্রীলঙ্কা এবং ২০১৯ ও ২০২৩ আসরে শিরোপা জেতে পাকিস্তান। ষষ্ঠ আসরে এসে নতুন চ্যাম্পিয়ন পেল টুর্নামেন্টটি।
ওমানের আল আমেরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টসে জিতে আগে ব্যাটে নামে লঙ্কান-এ দল। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেটে ১৩৩ রানে থামে। জবাবে ১১ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে নোঙর করে আফগান-এ দল।
আগে ব্যাটে নামা লঙ্কানদের শুরুটা ভালো হয়নি। ১৫ রানে টপঅর্ডারের চার ব্যাটার হারায় তারা। পঞ্চম উইকেটে হাল ধরেন পবন রত্নায়েক ও শাহান আরাচ্চিগে। ৬৫ রানে পবন ফিরে গেলে জুটি ভাঙে। ২১ বলে ২০ রান করে যান। ১০৮ রানে সপ্তম উইকেট হারায় দলটি। ১৯ বলে ২৩ রান করে ফিরে যান নিমেশ ভিমুক্তি, এক বল পর ফিরে যান রামেশ মেন্ডিস। পরে আরাচ্চিগে একপ্রান্ত আগলে রেখে ইনিংস শেষ করেন। ৪৭ বলে ৬৪ রান করেন।
আফগানদের হয়ে বিলাল সামি ৩ উইকেট নেন। আল্লাহ মোহাম্মদ গজনাফর নেন দুটি উইকেট।
রানতাড়ায় নেমে প্রথম বলে জুবায়েদ আকবরির উইকেট হারায় আফগানিস্তান। দ্বিতীয় উইকেটে সেদিকউল্লাহ অটল ও দারবিশ রাসুলি ৪৩ রান যোগ করেন। রাসুলি ফিরে যান ২০ বলে ২৪ রান করে। চারে নামা করিম জানাতও দারুণ করেন, ২৭ বলে ৩৩ রান করে ফিরে যান দলীয় ৯৫ রানে। মোহাম্মদ ইসহাককে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন অটল। ৫৫ বলে ৫৫ রান করেন আফগান ওপেনার। সঙ্গে টি-টুয়েন্টিতে একই আসরে টানা পাঁচ ইনিংসে ফিফটি করার রেকর্ড গড়েন।
লঙ্কানদের হয়ে একটি করে উইকেট নেন আরাচ্চিগে, দুশন হেমন্ত ও ইশান মালিঙ্গা।








