আগামী ৬ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে কঙ্গনা রানাউত অভিনীত, পরিচালিত ও প্রযোজিত ছবি ‘ইমার্জেন্সি’র। ইতোপূর্বেই সিনেমাটি নিষিদ্ধের দাবি তুলেছিল ‘শিরোমনি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি’। এবার অস্ট্রেলিয়ার শিখ কাউন্সিল দাবি করেছে ‘ইমার্জেন্সি’ প্রোপাগান্ডা সিনেমা।
অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক বহুজাতিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ব্র্যান্ড ভিলেজ সিনেমাসকে একটি চিঠি দিয়েছে শিখ কাউন্সিল। তাতে বলা হয়েছে, ‘প্রেক্ষাগৃহে প্রোপাগান্ডা সিনেমার প্রদর্শনী নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সিনেমাটিতে ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা দেখানো হয়েছে। শিখ সম্প্রদায়কে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা অসম্মানজনক এবং ঐতিহাসিক ঘটনাকে ভুলভাবে উপস্থাপনা করা হয়েছে।’
অস্ট্রেলিয়াতে শিখ ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করে বলা হয়েছে, ‘এ সিনেমায় শিখ সম্প্রদায়ের নেতা সন্ত জার্নাইল সিং খালসা ভিন্দ্রানওয়ালকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। সিনেমাটি প্রদর্শিত হলে অস্ট্রেলিয়ার শিখ এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াবে এবং শিখদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করবে।’
‘ইমার্জেন্সি’ সিনেমা নিয়ে আপত্তি তোলার পর বেশ চর্চা চলছে। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত।
‘গণতান্ত্রিক ভারতের অন্ধকারতম সময়ের’ ঝলক হিসাবে ইমার্জেন্সি পিরিয়ডকে ছবির ট্রেলারে তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৭৫ সালের জুন মাসে দেশে জরুরি অবস্থার ঘোষণা করেছিলেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। সেসময় একটানা ২১ মাস দেশে জরুরি অবস্থা জারি ছিল। বলা হয়, গদি বাঁচাতে গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেন নেহেরু কন্যা। সেই বিতর্কিত অধ্যায়ই এবার রুপালি পর্দায়।
আসন্ন ছবিটিতে কঙ্গনাকে দেখা যাবে ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে। এছাড়াও আরো দেখা মিলবে অনুপম খের, মহিমা চৌধুরী, মিলিন্দ সোমান, শ্রেয়াস তালপেড়ে এবং প্রয়াত অভিনেতা সতীশ কৌশককে।- ইন্ডিয়া টুডে








