পাবনার ঈশ্বরদীতে নিখোঁজের আট দিন পর একটি ছাত্রবাস থেকে তপু নামে ১৪ বছরের এক শিশু শ্রমিকের টুকরো টুকরো লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শিশু তপু ঈশ্বরদী শহরের মশুড়িয়া পাড়া এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে। গত ১৫ জুন শনিবার বিকাল থেকে সে নিখোঁজ ছিল।
শনিবার (২২ জুন) সন্ধ্যায় ঈশ্বরদী শহরের মশুড়িয়া পাড়া অন্যনা ছাত্রবাসের তিন তলার একটি কক্ষে ট্রাংকে ভর্তি টুকরো টুকরো করা লাশটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের ধারণা, মুক্তিপণের জন্য শিশুটিকে হত্যার পর টুকরো টুকরো করে ট্রাংকে ভরে রাখা হয়েছিল। ফোনকলের সূত্র ধরে তিনজনকে আটকের পর তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী লাশটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, ১৫ জুন সকাল থেকে তপু বাড়িতেই ছিল। এরপর বিকাল ৩টা থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তপুর মুঠোফোন থেকে তার বাবা কাশেমকে মুঠোফোনে কল দিয়ে ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরে তিনি বিষয়টি থানায় জানালে পুলিশ মুঠোফোন নম্বরটি শনাক্ত করার খোঁজ শুরু করে। এক পর্যায়ে তপুর বাবা তাদের দেওয়া বিকাশ নম্বরে ১০ হাজার পাঠায়।
ঈশ্বরদী থানা পুলিশ বিকাশ নম্বরের সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ৩ জনকে আটক করে পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অন্যনা ছাত্রবাসের তিনতলা থেকে ট্রাংকে ভর্তি লাশ উদ্ধার করে।
পাবনার পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ট্রাংকের মধ্যে লাশটি খণ্ড-বিখণ্ড অবস্থায় দেখতে পায়। শীঘ্রই সব আসামিদের আটক করা হবে।








