পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। নগর ভবনে আজ মঙ্গলবার ডিএসসিসি প্রশাসক মোঃ আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এবং যানজটমুক্ত সড়ক নিশ্চিত করতে টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, অবৈধ কাউন্টার ও দোকান উচ্ছেদ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা সড়ক পরিবহন বাস মালিক সমিতি, সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল পরিবহন মালিক ও শ্রমিক কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান সিদ্ধান্তসমূহ:
অবৈধ কাউন্টার ও দোকান উচ্ছেদ: সায়েদাবাদ ব্রিজের ঢাল থেকে টিটি পাড়া পর্যন্ত অবৈধ কাউন্টার অপসারণ করা হবে। টার্মিনালের অভ্যন্তরে থাকা অবৈধ দোকানও দ্রুত উচ্ছেদ করা হবে।
নিয়মতান্ত্রিক কাউন্টার বরাদ্দ: প্রকৃত বাস কোম্পানির জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে কাউন্টার বরাদ্দ করা হবে।
টার্মিনাল ও বাস-বে ব্যবহার: বাসগুলো নির্ধারিত ৫টি বাস-বে ব্যবহার করবে। যাত্রী উঠানোর জন্য অপেক্ষার সময় সর্বোচ্চ ২০–৩০ মিনিট।
যাত্রী সেবা ও অবকাঠামো উন্নয়ন: নতুন তথ্য কেন্দ্র ও মাতৃদুগ্ধ কক্ষ স্থাপন করা হবে। শৌচাগার মেরামত ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধ: সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা আদায় রোধে পরিবহন মালিকদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
যানজট নিরসন ও পরিত্যক্ত বাস জব্দ: দীর্ঘকাল ধরে পড়ে থাকা বাস জব্দ করে অপসারণের মাধ্যমে সড়কে যানজট কমানো হবে।
সভায় ডিএসসিসি প্রশাসক মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, “ইদ যাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে সিটি কর্পোরেশন, পুলিশ, বাস মালিক ও শ্রমিকরা একসাথে কাজ করবে। যাত্রীদের স্বস্তির জন্য সব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।”
এছাড়া, আজ বিকেলে নতুন প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন পরিচালনা কমিটির দ্বাদশ কর্পোরেশন সভায় বোর্ড সদস্যরা তাকে শুভেচ্ছা জানান এবং ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ প্রকল্প বাস্তবায়নে দৃঢ় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।








