সরকার নির্ধারিত দামে বাজারে বিক্রি হচ্ছে না ডিম ও ব্রয়লার মুরগি। আগেই বেড়ে থাকা চালের দাম এখনও কমেনি। কিছুটা বেড়েছে সবজির দাম। তবে স্থিতিশীল আছে আলু, পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম।
বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বেশ কিছু বাজার ঘুরে ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
কয়েকদিন আগে ডিম, ব্রয়লার ও সোনালী মুরগির যৌক্তিক দাম বেধে দিয়েছিলো কৃষি বিপণন অধিদপ্তর। তবে সেই দাম এখনও কার্যকর হয়নি। ব্রয়লার মুরগি সর্বোচ্চ ১৮০ টাকায় বিক্রির কথা থাকলেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায়।
খুচরা পর্যায়ে ডিমের হালি ১৪৩ টাকা বিক্রির কথা থাকলেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। চালের দাম কমারও কোন লক্ষণ নেই। বরং মোটা ধাচের মাঝারি মানের চালের দামও ৬০ টাকার বেশি।
বাজারে সবজির দামও গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। নিত্যপণ্যের দামে এখনও স্বস্তি না পেলেও আশাবাদী ক্রেতারা।
বিক্রেতারা জানিয়েছেন, আলু, পেঁয়াজসহ কিছু পণ্যের দাম স্থিতিশীল আছে। পণ্যমূল্য তদারকি জোরদার করার দাবি ক্রেতাদের।
বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় বেগুন, বরবটি ও কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। গতকাল খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি আমদানি করা কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে। এ ছাড়া বেগুন ৮০ থেকে ১১০ টাকা ও বরবটি ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এসব পণ্যের দাম আগের সপ্তাহে কেজিতে ২০-৩০ টাকা কম ছিল। অন্যান্য সবজির দাম আগের মতোই রয়েছে।
বাজারে রুই, চিংড়ি ও পাঙ্গাস মাছের দাম কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা করে বেড়েছে। গতকাল ২ কেজি আকারের চাষের রুই ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা, মাঝারি আকারের চাষের চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা ও পাঙাশ মাছ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া এক কেজি আকারের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা দরে।








