মোহনবাগানের জার্সিতে লক্ষ্ণৌ সুপারজায়ান্টস ইডেন গার্ডেন্সে খেলতে নেমেছিল। কলকাতার আবেগকে পুঁজি করে সমর্থক জোগাড় করার লক্ষ্য অনেকটা সফল হলেও মাঠের ক্রিকেটে পেয়েছে পরাজয়ের স্বাদ। ওপেনার ফিল সল্টের ব্যাটিং ঝড়ে ৮ উইকেটের বড় জয়ে পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থান মজবুত করেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
রোববার বিকেলের খেলায় টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা লক্ষ্ণৌ ৭ উইকেটে তোলে ১৬১ রান। জবাবে কলকাতা ২৬ বল হাতে রেখেই মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে।
পাঁচ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুয়েই আছে কলকাতা। হারের পর এক ধাপ নিচে নেমে পঞ্চম স্থানে ছয় খেলায় ৬ পয়েন্ট পাওয়া লক্ষ্ণৌ। রাজস্থান রয়্যালস ৬ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে।
এদিন জ্বলে ওঠেনি ওপেনার কুইন্টন কি ককের ব্যাট। প্রোটিয়া ক্রিকেটার ১০ রানে সুনীল নারিনের তালুবন্দি হন। এরপর দীপক হুদার বিদায়ে লক্ষ্ণৌর স্কোর দাঁড়ায় ২ উইকেটে ৩৯ রান।
অধিনায়ক লোকেশ রাহুল খেলেন ২৭ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৯ রানের ইনিংস। শেষদিকে নিকোলাস পুরানের ৩২ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় ৪৫ রান করলে লক্ষ্ণৌ চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায়। কলকাতার পক্ষে অজি পেসার মিচেল স্টার্ক ২৮ রান খরচায় পান ৩ উইকেট।
ঘরের মাঠে লক্ষ্য তাড়ায় কলকাতা প্রথম ওভারেই পেয়ে যায় ২২ রান। বল হাতে নিয়েছিলেন শামার জোসেফ। প্রথম পাঁচ বলে তিনি ৮ রানের বেশি দেননি। এরপরই ক্যারিবীয় পেসারের আকস্মিক ছন্দ পতন। ওভারের শেষ বলটি করতেই তার লেগে যায় লম্বা সময়। প্রথমে করেন নো বল, এরপর দিয়ে বসেন হোয়াইড। তারপর হোয়াইড বলটি বাউন্ডারি লাইন পেরিয়ে যায়। শামার পরে আবারো নো বল করেন, চলতে থাকে ফ্রি হিট। ১০ বলের ওভারটির শেষ বৈধ বলটিতে ছক্কা মারেন ফিল সল্ট।
সুনীল নারিন ও অঙ্গকৃষ্ণ রঘুবংশী সাজঘরে ফিরলে কলকাতা ৪২ রানে হারায় ২ উইকেট। এরপর সল্ট ও অধিনায়ক শ্রেয়াস আয়ার তৃতীয় উইকেটে ১২০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে নাইট রাইডার্সকে সহজেই জয় পাইয়ে দেন।
সল্ট ৪৭ বলে ১৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৯ ও আয়ার ৩৮ বলে ৬ চারে ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন। লক্ষ্ণৌর হয়ে ২৯ রানে ২ উইকেট স্বীকার করেন মহসিন খান।








