খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে আজ বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে। এই দিনটি যিশুখ্রিস্টের পুনরুত্থানের স্মরণে উদযাপিত হয়, যা মৃত্যুর বিরুদ্ধে জীবনের জয় এবং নতুন আশার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
আজ রোববার (৫ এপ্রিল) ইস্টার সানডে পালিত হচ্ছে। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গুড ফ্রাইডেতে ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করার পর তৃতীয় দিনে যিশুখ্রিস্ট পুনরায় জীবিত হয়ে ওঠেন। সেই অলৌকিক ঘটনাকেই ইস্টার সানডে হিসেবে উদযাপন করা হয়।
বড়দিনের মতো নির্দিষ্ট তারিখে নয়, বরং জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী ইস্টারের দিন নির্ধারিত হয়। সাধারণত বসন্ত বিষুবের পর প্রথম পূর্ণিমার পরবর্তী রবিবার এই উৎসব পালিত হয়। ফলে প্রতি বছর ৪ এপ্রিল থেকে ৮ মে এর মধ্যে যেকোনো দিনে ইস্টার পড়তে পারে।
খ্রিস্টধর্মের অন্যতম বড় উৎসব ক্রিসমাসের পরেই ইস্টার সানডের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এই দিনে বিভিন্ন সামাজিক ও আনন্দঘন আয়োজনও অনুষ্ঠিত হয়।
ইস্টার উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা, উপাসনা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি ‘ইস্টার এগ’ বা রঙিন ডিম বিনিময়, চকোলেট উপহার দেওয়া এবং শিশুদের জন্য ‘ইস্টার বানি’ কেন্দ্রিক নানা আনন্দ আয়োজনও এখন এই উৎসবের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে যিশুখ্রিস্টের আত্মত্যাগ ও পুনরুত্থান মানবতার জন্য আত্মোৎসর্গ, সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার বার্তা বহন করে। তাই ইস্টার সানডে শুধু একটি ধর্মীয় উৎসবই নয়, বরং নতুন জীবনের আশা ও পুনর্জাগরণের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়।







