দেশের টেলিভিশন জগতে টিআরপি রেটিংয়ে ধারাবাহিকভাবে শীর্ষে থাকা চ্যানেল আই ঈদের অনুষ্ঠানমালাতেও ধরে রেখেছে সেই আধিপত্য। বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল)-এর সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ঈদের সাত দিনের ভিউয়ারশিপে সবার ওপরে রয়েছে চ্যানেল আই।
জরিপের গ্রাফ বিশ্লেষণে দেখা যায়, শুধু জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট চ্যানেল (জিইসি) নয়, সব ক্যাটাগরির চ্যানেল মিলিয়ে মোট দর্শকের ১০ শতাংশই ঈদের অনুষ্ঠানমালায় চ্যানেল আই দেখেছেন, যা তালিকার মধ্যে একমাত্র ডাবল ডিজিট ভিউয়ারশিপ।
তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা মাছরাঙা টেলিভিশন ও এনটিভি পেয়েছে ৯ শতাংশ করে ভিউয়ারশিপ।
এদিকে শুধু ঈদ আয়োজনে নয়, দেশের জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট চ্যানেলগুলোর (জিইসি) মধ্যে রমজান মাসে দর্শক চাহিদার (জিআরপি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে আবারও শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে চ্যানেল আই। বিশেষ করে ইফতার ও সেহেরির সময়সূচিতে দর্শকদের সবচেয়ে বেশি আস্থা দেখা গেছে এই চ্যানেলটির ওপর।
গ্রস রেটিং পয়েন্ট (জিআরপি)-এর গ্রাফ বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইফতারের সময় প্রচারিত জনপ্রিয় অনুষ্ঠানগুলো— বিশিষ্ট রন্ধনশিল্পী কেকা ফেরদৌসীর ‘ভিম মনোহর ইফতার’ এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠান ‘কাফেলা’ দর্শক চাহিদার দিক থেকে অন্যান্য চ্যানেলকে ছাড়িয়ে গেছে। এই সময়ের অনুষ্ঠানগুলো নিয়মিতভাবেই বিপুল দর্শক আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে।
একইভাবে সেহেরির সময়েও দর্শকদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে ‘কাফেলা’ এবং কোরআন তেলাওয়াতের অনুষ্ঠান। এই স্লটে চ্যানেল আই একপ্রকার একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখেছে বলেই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
চ্যানেল আই কর্তৃপক্ষ জানায়, শুধু এবারের রমজান নয়, বিগত দুই দশক ধরেই ‘কাফেলা’ ও ‘মনোহর ইফতার’ অনুষ্ঠানগুলো জিআরপি তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।
এবার ঈদ অনুষ্ঠান মালাতেও একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখায় উচ্ছ্বসিত চ্যানেল আই কর্তৃপক্ষ। বলছেন,“দর্শকদের এই ধারাবাহিক আস্থাই এই সাফল্যের মূল চালিকা শক্তি।”
প্রসঙ্গত, এবারের ঈদ আয়োজনে ৮ দিনব্যাপী অনুষ্ঠান মালার আয়োজন রেখেছিলো চ্যানেল আই। এরমধ্যে নতুন ৭ চলচ্চিত্রের ওয়ার্ল্ড টিভি প্রিমিয়ারসহ নতুন ১৩টি টেলিছবি, ১৫টি নাটক সম্প্রচার হয়েছে। এছাড়াও ছোটকাকুর নতুন সিরিজ, কৃষকের ঈদ আনন্দসহ বেশকিছু দর্শক নন্দিত আয়োজন ছিলো।







