বিয়ের জমজমাট আসর চলছিল। অতিথিরা একে একে আসতে শুরু করেছেন। পনীর, পোলাও, নানা ধরনের রান্না ছিল বিয়ে বাড়িতে। এমনকি বিয়েতে পণও দেওয়া হয়েছিল প্রচুর। কিন্তু এতসব কিছুর পরেও মাছ আর মাংস না থাকায় একেবারে মাথায় রাগ উঠে যায় বরপক্ষের। শুরু হয়ে গেল তুমুল মারপিট। বরপক্ষ কনের বাড়ির লোকজনের উপর চড়াও হয়। একে অপরকে মারছে। ঘুঁষি মারছে। দুই পরিবারের মধ্যে তুমুল লড়াই হয়েছে।
ভারতের উত্তরপ্রদেশে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।
সম্প্রতি এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ছেলের বাড়ির লোকজন চিৎকার করছেন মারধর করছেন, মহিলারাও ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছেন। কেন মাছ মাংস হয়নি তা নিয়ে তারা প্রথমে প্রশ্ন তোলে। এরপরই শুরু হয় মারধর। চেয়ার ছোঁড়া হয়। গালিগালাজ করা হয়। ঘুঁষি মারা হয়। মারপিট করা হয়। ভাঙচুর করা হয়। একেবারে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিয়ে বাড়িতে।
এদিকে, এই গণ্ডগোলের জেরে বরপক্ষ বিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যান। এরপর কনের পরিবার পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান যে বরের বাড়ির লোকজন তাদের উপর চড়াও হয়েছিল। তাদেরকে মারধর করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে বিরাট টাকার পণ নেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, উত্তরপ্রদেশের দীনেশ শর্মার কন্যা সুষমা শর্মা। তার সঙ্গে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল অভিষেক শর্মার। মালাবদলও হয়ে গিয়েছিল। সব কিছু ঠিকঠাক ভাবেই চলছিল। কিন্তু আচমকাই ছন্দপতন। বরকে এসে বলা হয় যে বিয়ে বাড়িতে মাছ মাংস কিছু করা হয়নি। এর পরই বর, বরের বাবা তীব্র গালিগালাজ শুরু করে দেন। কনের বাবার দাবি, কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওরা মারতে শুরু করল। কয়েকজন আমাদের মারধর করা শুরু করল।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে ৫ লাখ টাকা পণ হিসাবে নেওয়া হয়েছে। দীনেশ শর্মা জানিয়েছেন, আমি সাড়ে ৪ লাখ লাখ টাকা অভিষেক শর্মাকে দিয়েছি। গাড়ি কেনার জন্য এই টাকা দেওয়া হয়েছিল। একটা তিলক সেট ও দুটো সোনার আংটিও দিয়েছিলাম।








